× Banner
সর্বশেষ
বাহাদুরপুর ইউপি চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আসাদুজ্জামান আসাদ প্রধানমন্ত্রীর ব্রিকস সম্মেলনে যোগদানের আমন্ত্রণ পর্যালোচনা করছে সরকার – পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুন্দরবনের বাঘ ও আবাসস্থল রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর – পরিবেশমন্ত্রী দেওয়ানি মামলার জট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার – আইনমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভূমিকম্প বিষয়ক প্রস্তুতি সভা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভুবন ভোলানো হাসিতে মন জয় করা তাহসিনের সাক্ষাৎ ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশি শ্রমিকদের আরও কর্মসংস্থানের সুযোগ চান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রকল্পের টাকা জনগণের, এক টাকার অপচয়ও সহ্য করা হবে না: তথ্যমন্ত্রী হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগানো দালাল চক্র ও সিজার বাণিজ্য স্থায়ীভাবে বন্ধ হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ঢাকা গড়া সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার: মীর শাহে আলম

কূটনৈতিক প্রতিবেদক

আশার বাণীর ফেরিওয়ালা শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের ২য় মেয়াদের ১ম দিবসে শেয়ারবাজারে মারাত্মক ধস

Dutta
হালনাগাদ: রবিবার, ১৯ মে, ২০২৪
https://thenewse.com/wp-content/uploads/share-market.jpg

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) প্রথম দফায় দায়িত্ব নেওয়ার পরে বর্তমান চেয়ারম্যান দেশের শেয়ারবাজার নিয়ে অনেক আশার বাণী শুনিয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, সূচক ১০ হাজারে যাবে এবং লেনদেন ছাড়াবে ৫ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু দেশের শেয়ারবাজার এখন ৫ হাজার সূচকের পথে ধাবিত। আর লেনদেন ৫০০ কোটির কাছে।

২০২২ সালের ২২ মে একাত্তর টিভিকে বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেছিলেন, আগামি ২ বছরের মধ্যে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১০ হাজার পয়েন্টে যাবে। এছাড়া তার কমিশন বিভিন্ন সময় ডিএসইর লেনদেন ৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়াবে বলে আশার বাণী শুনিয়েছে। সেই ২ বছর প্রায় শেষ। কিন্তু শেয়ারবাজার হাঁটছে উল্টোপথে। ভুল প্রমাণিত হয়েছে কমিশনের আশার বাণী। দেখিয়েছেন ব্যর্থতার পরিচয়। বরং সূচক তার প্রত্যাশার অর্ধেকের পথে ধাবিত।

২০২১ সালের ১০ অক্টোবর প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ছিল ৭ হাজার ৩৬৭ পয়েন্ট। তিন বছর ৭ মাস ৯ দিন পর আজ ১৯ মে (রোববার) ডিএসইর সূচক কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৪৩১ পয়েন্টে। এই সময়ের মধ্যে সূচক কমে গেছে ১ হাজার ৯৩৬ পয়েন্ট। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আলোচ্য সময়ে শেয়ারবাজারে ১৫টির বেশি নতুন কোম্পানির শেয়ার তালিকাভুক্ত হয়েছে। এসব কোম্পানির শেয়ার সূচকে যোগ হয়েছে। যদি কোম্পানিগুলোর শেয়ার সূচক থেকে বাদ দেওয়া হয়, তাহলে ডিএসইর সূচকের পতন দাঁড়াতে পারে ২ হাজার ২০০-এর বেশি।

গত কয়েক মাস ধরে শেয়ারবাজারে মূল্যসূচক টানা ও ভয়াবহ পতনে রয়েছে। এরমধ্যে আজ রবিবার (১৯ মে) দেশের শেয়ারবাজারে ৮৬ পয়েন্টের বড় পতন হয়েছে। এমন পতনে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মূল্যসূচক গত ৩ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থায় নেমেছে। একইসঙ্গে বিএসইসি চেয়ারম্যানের ২য় মেয়াদের ১ম দিনেই বড় পতন দিয়ে বরণ করে নিয়েছে।

শেয়ারবাজারের এমন পতনে দিশেহারা বিনিয়োগকারীরা। যারা চোখেমূখে অন্ধকার দেখছেন। এমন পরিস্থিতিতে অনেক বিনিয়োগকারী শেয়ারবাজার ছাড়তে শুরু করেছেন। নিয়মিত সিকিউরিটিজ শুন্য হচ্ছে বিনিয়োগকারীদের হাজার হাজার পোর্টফোলিও। কমিশনের ব্যর্থতার প্রতিবাদে রাস্তায় নামতে শুরু করেছেন বিনিয়োগকারীরা।

সোমবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৮৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫৪৩১ পয়েন্টে। সোমবারের এমন পতনে ডিএসইএক্স সূচকটি ২০২১ সালের ২৮ এপ্রিলের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থায় নেমে গেছে। অর্থাৎ আজকের সূচকটি বিগত ৩ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে সর্বশেষ ২০২১ সালের ২৭ সূচকটি আজকের তুলনায় কম ছিল। ওইদিন ডিএসইএক্স ছিল ৫৪২২ পয়েন্টে।

এদিন ডিএসইতে ৪০৯ কোটি ১৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। যার পরিমাণ আগের দিন হয়েছিল ৬৭৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এ হিসাবে লেনদেন কমেছে ২৬৭ কোটি ৬১ লাখ টাকার বা ৪০ শতাংশ। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৮০ টি কোম্পানির মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে ২২ টি বা ৫.৭৯ শতাংশের। আর দর কমেছে ৩৪৭ টি বা ৯১.৩১ শতাংশের ও দর পরিবর্তন হয়নি ১৯ টি বা ৫ শতাংশের।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যুদ্ধ-বিগ্রহ ও নানা কারণে সারা বিশ্বে অর্থনৈতিক মন্দা বিরাজ করছে। তারপরও প্রায় সব দেশের শেয়ার মার্কেট রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। পাশ্ববর্তী দেশ ভারত ও পাকিস্তানের শেয়ারবাজারও রেকর্ড উচ্চতায় অবস্থান করছে। এমনকি অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে থাকা শ্রীলংকার শেয়ার মার্কেটও ইতোমধ্যে অনেক দূর এগিয়েছে। কিন্তু ব্যতিক্রম বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেট। এখানে সব খাতেই কমবেশি উত্থান হয়েছে। কিন্তু শেয়ার মার্কেট আরও পেছনের দিকে ধাবিত হয়েছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..