× Banner
সর্বশেষ
বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: মির্জা ফখরুল পদত্যাগের চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন: অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নতুন বঙ্গভবন প্রধান কে? সক্রিয় মৌসুমি বায়ু: দেশজুড়ে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা, বাড়তে পারে তাপমাত্রা রাজপথে ছড়ানো গুজবে কান না দেয়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলের: নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পালনে সরকার বদ্ধপরিকর দেশের বাজারে সোনার দামে বড় পতন: ভরিতে কমলো ৩৩২৪ টাকা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বার্তা ও অনশন ভঙ্গ: যন্তর-মন্তরে কাটল জট, জয়ে ফিরল সাধারণতন্ত্র জগন্নাথদেবের পুনর্যাত্রা আজ: উল্টো রথযাত্রার ধর্মীয় তাৎপর্য, ইতিহাস ও আধ্যাত্মিক বার্তা সোনম ওয়াংচুক অনশন প্রত্যাহার, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত আজ ২৪ জুলাই বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় সকাল ৯টার মধ্যে ১০ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

আঞ্চলিক প্রতিনিধি

আগৈলঝাড়ায় প্রশাসনের বাঁধা উপেক্ষা করে নদী দখল করে পাকা ভবন নির্মাণ

Kishori
হালনাগাদ: শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২৫
নদী দখল করে পাকা ভবন

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় এক প্রভাবশালী ব্যবসায়ির বিরুদ্ধে নদী দখল করে পাকা ভবন নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উঠেছে এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে।

সংশ্লিষ্ঠ অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাগধা ইউনিয়নে সন্ধ্যা নদীর পশ্চিমপাড় বাজারের খেয়া ঘাটে স্থানীয় রড-সিমেন্ট ব্যবসায়ী হারুন মিয়াতার পুরান ঘর ভেঙ্গে নদীর অংশ দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণ চালিয়ে আসছিলো। নদী দখলের খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি)র নির্দেশে বাগধা ইউনিয়ন সহকারী তহশীলদার রবীন দাশ গুপ্ত ঘটনাস্থলে গিয়ে নদীর মধ্যে নির্মানাধীণ স্থাপনা ভেঙ্গে দিয়ে অভিযুক্ত হারুন মিয়াকে জায়গার কাগজপত্র নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) ফারিহা তানজিনের সাথে দেখা করতে বলেন।

ভবন উত্তোলনকারী হারুন মিয়া জানায়, আমি আব্দুল হাই সরদারের কাছ থেকে ৮ বছর আগে জায়গা কিনেছি।। তার ে বাধা পেয়ে কাগজপত্র নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে গিয়েছিল। তবে প্রশাসন তাদের কি বলেছে তা আমার জানা নেই। বর্তমানে আমি কাজ বন্ধ রেখেছি।

তবে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করলে কিছুদিন কাজ রেখে পরবর্তীতে সুযোগ বুঝে ওই ভবনের কাজ শেষ করছেন তারা।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আব্দুল হালিম বলেন, নদী দেখার দায়িত্ব আমাদের নয়। দেখার দায়িত্বে রয়েছেন জেলা ও উপজেলা প্রশাসন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) ফারিহা তানজিন বলেন, নদীর পশ্চিম পাড়ে খেয়া ঘাটে একটি ভবন নির্মাণের খবর পেয়ে তহশিলদার রবীন দাশ গুপ্তকে পাঠিয়ে ছিলেন, তিনি নদীর অংশে গড়া ভবনের বাড়তি অংশ ভেঙ্গে দিয়েছে। পূর্বে কেউ ওই জায়গার মালিকানার কোন কাগজপত্র নিয়ে আমার কাছে আসছিল কি না তা আমার মনে নেই।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..