× Banner
সর্বশেষ
কৃষিভিত্তিক শিল্প ও অ্যাগ্রো বিজনেসে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের গৌরবময় ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরলেন পর্যটনমন্ত্রী বাংলাদেশকে উদ্ভাবননির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্য সরকারের: প্রযুক্তিমন্ত্রী আবহাওয়ার সতর্কবার্তাবঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ২৭ জুলাই থেকে শুরু ২০২৭ সালের হজের প্রাথমিক নিবন্ধন, ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা বান্দরবানে সাঙ্গু নদীতে নৌকাডুবির দুই দিন পর নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার সাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত আদালতে রাষ্ট্রপ্রতির বিরুদ্ধে মামলা করা যায় না – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শেষ হচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২৬’

২৪ বছর পর এরশাদের আপিল শুনানির দিনধার্য

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১ নভেম্বর, ২০১৬

বিশেষ প্রতিনিধি:  দুই যুগ পর সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের বিরুদ্ধে একটি দুর্নীতির মামলার সাজার বিরুদ্ধে করা আপিলের শুনানির দিন ধার্য হয়েছে। আগামী ১৫ নভেম্বর শুনানি হবে।আজ মঙ্গলবার বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুসের হাইকোর্টের একক বেঞ্চ শুনানির জন্য এই দিন ঠিক করেন।১৯৮৩ সালের ১১ ডিসেম্বর থেকে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে ক্ষমতায় ছিলেন এরশাদ। এই সময় বিভিন্ন স্থান থেকে রাষ্ট্রপতি হিসেবেপাওয়া উপহার তিনি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেননি বলে অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে ১৯৯১ সালের ৮ জানুয়ারি তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর উপপরিচালক সালেহ উদ্দিন আহমেদরাজধানীর সেনানিবাস থানায় এইচ এম এরশাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় এক কোটি ৯০ লাখ ৮১ হাজার ৫৬৫ টাকা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়।ওই মামলায় ১৯৯২ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের রায়ে এরশাদকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ওই পরিমাণ অর্থ ও একটি টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার গাড়ি বাজেয়াপ্ত করারওনির্দেশ দেওয়া হয়।তবে একই বছর হাইকোর্টে নিম্ন আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন এরশাদ। আদালত আপিল গ্রহণ করে নিম্ন আদালতের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করেন। সেই সঙ্গে জজ আদালতের নথিও তলব করা হয়।দীর্ঘ ২৪ বছর পর এইচ এম এরশাদের সাজার বিরুদ্ধে আপিল শুনানি শুরু করার উদ্যোগ নেয় দুদক।আজ শুনানির জন্য কার্যতালিকায় আসে। আদালতে এরশাদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট শেখ সিরাজুল ইসলাম। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান।এরশাদের আইনজীবী শেখ সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, ন্যায়বিচার পাওয়ারজন্যই তাঁরা উচ্চ আদালতে আপিল করেছিলেন। এবার ন্যায়বিচার পাওয়া যাবেবলে তাঁরা আশাবাদী।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..