× Banner
সর্বশেষ
গণঅভ্যুত্থান আকস্মিক নয়, ১৭ বছরের আন্দোলনের ফসল – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে – প্রধানমন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই যোদ্ধাকে অটোরিকশা-রিকশা উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী চলনবিলে সমন্বিত ইকো-ট্যুরিজম প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু -বিমান মন্ত্রী রাতের আধাঁরে সামাজিক বনায়নের গাছ লুট বাঁশখালীকে বন্যা মুক্ত করতে টেকসই বেড়িবাঁধ ও খাল পুনঃখননের আশ্বাস ত্রাণমন্ত্রীর চিকিৎসকদের পেশাদারিত্বে রাজনীতি যেন প্রভাব না ফেলে: প্রধানমন্ত্রী ফের গ্রেফতার তনু হত্যায় সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর রহমান বাজার সিন্ডিকেট ও মজুতদারি করলেই কঠোর ব্যবস্থা – আইনমন্ত্রী গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে প্রথম বেইমানি করেছেন জামায়াত আমির – রাশেদ খান

হাওরে ট্যুরিজম নিয়ন্ত্রণে শিগগিরই সুরক্ষা আদেশ চূড়ান্ত -পানি সম্পদ উপদেষ্টা

ACP
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ৮ জুলাই, ২০২৫

পানি সম্পদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, পানি আইন ২০১৩-এর আওতায় হাওরে ট্যুরিজম নিয়ন্ত্রণে শিগগিরই সুরক্ষা আদেশ চূড়ান্ত করা হবে। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে সুরক্ষা আদেশের খসড়াটা আমরা প্রস্তুত করেছি এবং এটি চূড়ান্ত করে দিয়ে যাবো যেখানে থাকবে হাওরে পর্যটক গেলে তারা কি করতে পারবেন আর কি করতে পারবেন না।

উপদেষ্টা আজ রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে ‘হাওরের সংকট ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

পানি সম্পদ উপদেষ্টা বলেন, হাওরে একই মানুষ প্রতিবার যাবে কিন্তু অন্য মানুষ যাবে না তা হতে পারে না। হাওরে হাউজবোটগুলো কোথায় যাবে আর কোথায় যেতে পারবে না, কি কি আদেশ মেনে হাউজবোট চালাতে হবে সেটা সুরক্ষা আদেশে পরিষ্কার বলা থাকবে।

নিজেকে হাওরের মানুষ, হবিগঞ্জের মানুষ উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, হাওর হচ্ছে মিঠা পানির সমুদ্র। হাওরে বর্ষার আগে সবুজ বোরো ধান হয়। ধান কাটার এক সপ্তাহের মধ্যে হাওরে পানি চলে আসে। আবার পানি আসার পরে দেখা যাবে ধান রোপণ করা হচ্ছে। এরকম অনন্য ইকো সিস্টেম আসলে পৃথিবীতে বিরল।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, হাওর মাস্টারপ্ল্যানটা শুরু হয়েছিল ২০০৩ সালে। সাম্প্রতিক সময়ে এই মাস্টারপ্ল্যান হালনাগাদকরণের খসড়াটা সরকারের তরফ থেকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, এই মাস্টারপ্ল্যানটা হালনাগাদ করার ক্ষেত্রে একটা স্পষ্ট নির্দেশনা ছিল যে হাওর এলাকার স্থানীয় মানুষজনের মতামত নিতে হবে। সেই নিরিখে দিনব্যাপী কর্মশালা হয়েছে। এতে যে অভিমতগুলো পাওয়া গেছে সেগুলো সন্নিবেশ করা হবে। খসড়া ওয়েবসাইটে দেওয়া হবে। এছাড়া হাওর নিয়ে আরো যারা কাজ করেন তাদের মতামত নিয়ে হাওর মাস্টারপ্ল্যান হালনাগাদকরণ চূড়ান্ত করা হবে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, হাওরগুলোর সীমানা চিহ্নিত করার একটা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

উপদেষ্টা বলেন, কোন কোন হাওরে গাছ লাগানো উচিত তার একটা তালিকা আমরা মোটামুটি প্রাথমিকভাবে চূড়ান্ত করেছি। তিনি বলেন, হাওরে ভাসমান হাসপাতাল দেওয়া যায় কিনা এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে আমরা কথা বলেছি।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য রাখেন নেত্রকোনা সাংবাদিক ফোরাম-ঢাকা’র সভাপতি রফিক মুহাম্মদ। এছাড়া বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান, আরটিভির বার্তা সম্পাদক ও সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন, গ্রিন কনসার্ন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক তাহমিনা খানম, সাংবাদিক এরফানুল হক নাহিদ প্রমুখ।

 

 

 

 

 

 

 

 


এ ক্যটাগরির আরো খবর..