আগৈলঝাড়ায় সাংবাদিক ও শিক্ষানবীশ আইনজীবীর ওপর হামলার অভিযোগ

আগৈলঝাড়ায় সাংবাদিক ও শিক্ষানবীশ আইনজীবীর ওপর হামলার অভিযোগ
সাংবাদিক ও শিক্ষানবীশ আইনজীবীর ওপর হামলা

আগৈলঝাড়া কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দিরের পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি কার্তিক বেপারীর আর্থিক অসংগতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সাংবাদিক ও রাজনৈতিক কর্মী অমিয় কর এবং তার ছোট ভাই শিক্ষানবীশ আইনজীবী প্রভাত করের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কার্তিক বেপারীর নেতৃত্বাধীন একদল ব্যক্তির বিরুদ্ধে। সাংবাদিক ও আইনজীবীর ওপর হামলা

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে আগৈলঝাড়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, উভয় পক্ষই আগৈলঝাড়া উপজেলার পশ্চিম সুজনকাঠী গ্রামের বাসিন্দা। পূর্ব বিরোধের জের এবং ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে দাবি করা হয়েছে।

আহত প্রভাত করের অভিযোগ, রাত প্রায় ৮টা ১০ মিনিটে বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে কার্তিক চন্দ্র বেপারী পিতা মৃতঃ সুরেন বেপারী ও তার সহযোগী মনির মোল্লা পিতা মৃত ইয়াকুব আলী মোল্লা, হামিদুল ইসলাম মহিদুল পিতাঃ অজ্ঞাত, সুভাষ কর পিতাঃ  মৃত কানাইলাল কর, মহসিন মোল্লা পিতাঃ মৃত কোডন মোল্লা, ইসমাইল পিতাঃ অজ্ঞাতসহ আরও কয়েকজন পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালায়। তিনি আশ্রয়ের জন্য একটি দোকানে ঢুকলেও সেখানে প্রবেশ করে তাকে মারধর করা হয়। এ সময় তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয় এবং তার ব্যবহৃত প্রায় ৫০ হাজার টাকা মূল্যের একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

প্রভাত কর আরও দাবি করেন, পরে তাকে দোকান থেকে টেনে বের করে আরও কয়েকজন মিলে মারধর করে। প্রাণ বাঁচাতে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলেও পুনরায় তাকে ধরে মারধর করা হয়।

এ সময় তার চিৎকার শুনে বড় ভাই অমিয় কর এগিয়ে এলে তাকেও লোহার রড দিয়ে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ। এতে তার মাথায় গুরুতর জখম হয় এবং তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এরপর হামলাকারীরা তাকে লোহার রড দিয়ে আরও মারধর করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় দুই ভাইকে উদ্ধার করে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অমিয় করের মাথার ডান পাশে গুরুতর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষতস্থানে ছয়টি সেলাই দিতে হয়েছে। তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

চিকিৎসাধীন অমিয় কর দাবি করেন, তার ছোট ভাই আগৈলঝাড়া কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দিরের পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি কার্তিক বেপারীর আর্থিক অসংগতি নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছিলেন। সেই পোস্ট এবং পূর্ব বিরোধের জের ধরেই তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, চিকিৎসা শেষে থানায় গিয়ে এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ (এজাহার) দায়ের করবেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত কার্তিক বেপারী বা অন্য অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশও এ ঘটনায় আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়নি।

এই প্রতিবেদনে উল্লিখিত হামলা, উদ্দেশ্য এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো ভুক্তভোগীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বক্তব্য এবং পুলিশের তদন্তের ফল পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে সংযুক্ত করা হবে।

https://thenewse.com/সাংবাদিক-ও-শিক্ষানবীশ-আই/
https://thenewse.com/সাংবাদিক-ও-শিক্ষানবীশ-আই/

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Kishori
লেখক / প্রতিবেদক

Kishori

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।