× Banner
সর্বশেষ
শিক্ষা ও কারিগরি খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ-চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে রোহিঙ্গা ও করিডোর নিয়ে আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সাক্ষাৎ মধুখালীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট সভাপতি ও ইউনিট লিডারদের সাথে মতবিনিময় সভা যখনই বাংলাদেশের জনগণ বিপদে পড়েছে, চীন পাশে দাঁড়িয়েছে – ইয়াও ওয়েন দিল্লি বিক্ষোভের পর মোদি সরকারের কাছে রাহুল গান্ধীর ৫ দফা দাবি ইরান যুদ্ধের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩৭.৫ বিলিয়ন ডলার: পেন্টাগন প্রধান কোটালীপাড়ায় রুদ্রিকা দে রিংকি’র অন্নপ্রাশন ও ভাগবত পাঠ অনুষ্ঠিত টানা বৃষ্টিতে রাজধানীর বাজারে সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী

শার্শার সরকারি পাইলট স্কুলের প্রধান শিক্ষকের দুর্নীতির ফিরিস্তি প্রকাশ

Kishori
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১৯

স্টাফ রিপোর্টার বেনাপোলঃযশোর জেলার শার্শার সরকারি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলামের সীমাহীন দুর্নীতি প্রকাশ পেয়েছে।
ঐ স্কুলের তথ্য সুত্রে জানা গেছে, গেল (এসএসসি) ভোকেশনাল পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফি বাবদ আদায় প্রায় দুই লক্ষ টাকা সম্পুর্ন ভাবে আত্মসাত করার প্রমান পাওয়া গেছে। নিয়ম আছে পরীক্ষা ফি বাবদ আদায়কৃত টাকা পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট খাতে ব্যয় সম্পাদন করা। তিনি তা না করে সমুদয় টাকা নিজেই আত্মসাত করেন।
ইতোমধ্যে শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর দাখিল করা বুরুজবাগান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক শামছুর রহমানের অভিযোগের বরাতে জানা গেছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, পোষ্ট মাস্টার এবং বুরুজবাগান মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষকগন পরীক্ষা পরিদর্শকের দায়িত্ব পালন করে, তাদের পাওনা টাকা এখনও পর্যন্ত বুঝে পান নাই। টাকা আত্মসাত সংক্রান্ত বিষয়ে শার্শার (ইউএনও) গত (১৫এপ্রিল) তারিখ শিক্ষা অফিসার হাফিজুর রহমানকে তদন্ত করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেছেন।
প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম পরীক্ষা কেন্দ্র সচিব থাকা কালীন পাওনা ৬০০০(ছয়) হাজার টাকা ছাড়াও বেআইনি ভাবে আরও ২০০০(দুই) হাজার টাকা আত্মসাত করে। এদিকে ৫ই ফেব্রুয়ারী/২০১৯ ইং তারিখ ছাত্র মারপিটের ঘটনায় যশোর জেলা প্রশাসক কার্যালয় কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিটি তাকে আগামী (১৭এপ্রিল) তারিখ যশোরে তলব করে চিঠি পাঠিয়েছেন। দাম্ভিক এবং দুর্নীতি বাজ এই শিক্ষকের অপসারন চেয়ে শিক্ষার্থীদের অভিভাবক বৃন্দ সংশ্লিষ্ট কর্তৃকপক্ষের দৃষ্টি দেওয়ার জন্য জোর দাবী জানিয়েছেন।
নাম না বলা সুত্রে অনেক অভিভাবক বলেন, এই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ পাওয়ার পরেও তিনি কি ভাবে এতদিন সপদে বহাল থাকেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..