× Banner
সর্বশেষ
দেশের সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে সিআইআরএস ও এনআরএস উদ্বোধন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌদির পররাষ্ট্র উপমন্ত্রীর বৈঠক বাংলাদেশ-সৌদি সম্পর্ককে কৌশলগত অংশীদারত্বে উন্নীত করতে চায় সরকার -প্রধানমন্ত্রী প্রগতিশীল ও উন্নত সমাজ বিনির্মাণে স্থিতিশীল আইন-শৃঙ্খলা অপরিহার্য – পানি সম্পদ মন্ত্রী জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে – প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে কফিল আকামা নবায়ন না করলেও অন্য নিয়োগকর্তার অধীনে নবায়নের সুযোগ বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের অবস্থান সবসময় শান্তির পক্ষে – প্রধানমন্ত্রী ‎ বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীতে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমান সংগীত কর্মসূচি শুরু সেতু বিভাগ এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ পালিত হচ্ছে

শত কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকি ‍॥১৯টি সিএন্ডএফ এজেন্টের কার্যক্রম স্থগিত

admin
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৮

রাজিব শর্মা(চট্টগ্রাম ব্যুরো): গত এক বছরে ঢাকা কাস্টমস হাউস থেকে মিথ্যা ঘোষণায় ১৯টি সি এন্ড এফ এজেন্ট হাজার কোটি টাকার পণ্য খালাস করে নিয়েছে। এতে প্রায় শত কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির ঘটনা ঘটেছে। ঘটনা তদন্তের পর কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এই ১৯ প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করেছে। লাইসেন্স বাতিল হওয়া সি এন্ডএফ এজেন্টগুলো হলো, স্মার্ট কার্গো লিমিটেড, আর এন্টারপ্রাইজ, মীর লজিষ্টিক লিমিটেড, শরিফ এসোসিয়েট, মেসার্স কোল ফেক্স, নিউ জাকির এন্টারপ্রাইজ, এ এম টেডিং কোং, জে আর ট্রেড, কাওছার ব্রাদার্স, নুরুল ইসলাম, প্রাপ্তি এন্টারপ্রাইজ, আই এস জে ইন্টারন্যাশনাল, মান্নান এন্ড কোং, মিলন এন্ড কোং, মাল্টি ট্রেড, গাজী এন্টারপ্রাইজ, লিজা (প্রাঃ) লিমিটেড এবং মাছুুম ট্রেডার্স।
কাস্টমস সূত্র জানিয়েছে, একই অভিযোগে আরও ১০টি সি এন্ড এফ এজেন্টের লাইসেন্স বাতিলের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সূত্র জানায়, এসব প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন যাবত মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে পণ্য খালাস করে আসছিলো। মূলত প্রতিষ্ঠানগুলো চোরাচালানি ও অবৈধ পণ্য আমদানি কাজে নিয়োজিত ছিলো। এই কাস্টমস হাউসের বর্তমান সৎ ও নিষ্ঠাবান কমিশনার হোসেন আহমেদ দায়িত্ব গ্রহণের পর রাজস্ব আহরণে পিছিয়ে থাকার বিষয়টি তদন্তের উদ্যোগ নেন। আর তারই অংশ হিসাবে যুগ্ন কমিশনার -১ জিয়াউদ্দিনের নেতৃত্বে একজন সহকারি কমিশনার, একজন রাজস্ব কর্মকর্তা ও দুইজন সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তার সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্ত কমিটি এই কাস্টমস হাউসে কর্মরত সকল সি এন্ড এফ এজেন্টের গত এক বছরের কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন। অতঃপর কমিটির নজরে ২৯টি সি এন্ড এফ এজেন্টের কার্যক্রমে সন্দেহ দেখা দেয়। প্রথম পর্যায়ে এসব কোম্পানিকে মালামাল ছাড়করণে মিথ্যা ঘোষণার আশ্রয় না নেবার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়। সূত্র জানায়, এই নির্দেশ উল্লেখিত কোম্পানিগুলো পালন না করায় গত ৭ আগষ্ট কাস্টমস হাউস, ঢাকা এর এয়ারফ্রেইট ইউনিট এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে উল্লেখিত ১৯টি সি এন্ড এফ এজেন্টের কার্যক্রম স্থগিত করেন। এসব প্রতিষ্ঠান কোনো বি/ই দাখিল করলে এন্ট্রি না করার জন্য কাস্টমস কর্মকর্তাদের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। সূত্র জানায়, এসব প্রতিষ্ঠান মূলত আমদানি গেইট, শুল্ক মুক্ত গেইট ও কুরিয়ার শুল্কায়নের মাধ্যমে তাদের অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করতো। আর তাদেরকে কাস্টমস এর কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী সহায়তা দিতো।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..