× Banner
সর্বশেষ
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক যোগাযোগের খবরে কমেছে তেলের দাম ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ৫০% কমানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, ১৭ জেলার নদীবন্দরে সতর্কতা আজ ৪ শ্রাবণ মঙ্গলবারের রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২১ জুলাই মঙ্গলবারের পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে সততা চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন পাইলট প্রকল্পে ৯৯ হাজার শিক্ষার্থী পাবেন বিনামূল্যের পাটের স্কুল ব্যাগ সরকারের ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিমার্জনের উদ্যোগ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগে এনজিওদের এগিয়ে আসার আহ্বান জ্বালানিমন্ত্রীর ২০২৭ সালের হজে ব্যাকঅ্যাপ আবাসন ১% রাখার অনুরোধ বাংলাদেশের

রংপুরে আলুর বাম্পার ফলন

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১৫ মার্চ, ২০১৬

রংপুরে আলুর বাম্পার ফলন
শেখ মামুন-উর-রশিদ, রংপুর ব্যুরো : রংপুর অঞ্চলে এবার আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। এ বছর আলুর বাম্পার ফলন আর বাজার মূল্য ভাল পাওয়ায় যে সোনা ফলেছে এ অঞ্চলের কৃষকের হৃদয়ে। স্মরণকালের সবচেয়ে বেশি আলু উৎপাদন হয়েছে এবার রংপুর অঞ্চলে।

অন্যান্য বছরের মতো বীজ, সার, কীটনাশকের সঙ্কট তো নয়ই, বরং ছিল না কোন রোগ বালাই আর ঘন কুয়াশায় ঢাকা প্রকৃতিরও কোন বিরূপতা। এতেই যেন সোনা হয়ে দেখা দিয়েছে সব তরিতরকারির সাথেই মিশে যাওয়া এই গোল আলুর।

বীজ সার কীটনাশক সঙ্কট ও রোগ বালাই না থাকা এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আলু প্রধান এই রংপুর অঞ্চলে এবারই প্রথম এমন বাম্পার ফলন হয়েছে।

বাজার মূল্য অন্যান্য বছরের তুলনায় বেশ ভাল থাকায় কৃষকরা এখন বেজায় খুশি। তারা বলছেন, এমন দাম পেলে আগামীতেও তারা আলু আবাদে আরও বেশি উৎসাহিত হবেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, এবারের প্রকৃতিতে শীত কুয়াশা না থাকার কারণেই উৎপাদন যেমন ভাল হয়েছে, তেমনি ভাল দাম পাচ্ছেন কৃষকরা। সব মিলিয়ে এবার আলু যেন সোনা হয়ে দেখা দিয়েছে কৃষকের ক্ষেতে। রংপুরের আঞ্চলিক কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে রংপুর বিভাগের ৫ জেলায় ৯১ হাজার ৯২১ হেক্টর জমিতে আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

পরবর্তীতে কৃষকরা নিজেরাই তা বাড়িয়ে নিয়ে যায় ৯৫ হাজার ১৬০ হেক্টরে। এ পরিমাণ জমি থেকে আলু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১৮ লাখ ৬ হাজার ২৪৮ মেট্রিক টন। কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ রংপুর অঞ্চলের উদ্যান বিশেষজ্ঞ খোন্দকার মোঃ মেসবাহুল ইসলাম জানান, এখনও পুরোপুরি আলু উত্তোলন করা শেষ হয়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে এবার উৎপাদন ২০ লাখ টন ছাড়িয়ে যাবে।

যা অতীতের সব রেকর্ডকে ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। রংপুরের সবচেয়ে বেশি আলু উৎপাদনকারী এলাকা নব্দীগঞ্জ, কল্যাণী, দেউতি, বড়দরগা, পীরগাছা, নজিরেরহাট, মমিনপুর এলাকায় সরেজমিনে দেখা গেছে, কৃষকরা পরিবার পরিজন নিয়ে আলু উত্তোলনের উৎসবে মেতে উঠেছে।

মমিনপুর এলাকার কৃষক মোসলেম আলী, জয়নাল আবেদীন জানালেন, আলু তোলা নিয়ে তারা এত ব্যস্ত যে, হাত ধুয়ে ভাত খাবার সময় পর্যন্ত তাদের নেই। সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি কাজ করছেন তারা। এই আলু তোলা শেষ হলেই শুরু হবে বোরোর চারা রোপণের কাজ। তারা জানালেন, অন্যান্য বছর ৮০ কেজির আলুর বস্তা জাত ভেদে বিক্রি হতো ৪ থেকে ৬শ’ টাকা দরে। কিন্তু এবার তা বিক্রি হচ্ছে ৭শ’ থেকে হাজার টাকা পর্যন্ত। এ কারণে কৃষক ও উৎপাদনকারীরা বেজায় খুশি। তাদের ধারণা দাম আরও বাড়বে। আর এ অবস্থা চলতে থাকলে আগামীতে আলু আবাদে আরও বেশি উৎসাহিত হবেন তারা।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..