× Banner
সর্বশেষ
ছয় মাসের মধ্যে সারা দেশে বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম চালু করা হবে -আইনমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও থেকে বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন আইনমন্ত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স নিয়ে ভুয়া প্রচার বিষয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ নড়াইলে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, আসামি গ্রেপ্তার  ইরান-যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক যোগাযোগের খবরে কমেছে তেলের দাম ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ৫০% কমানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, ১৭ জেলার নদীবন্দরে সতর্কতা আজ ৪ শ্রাবণ মঙ্গলবারের রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২১ জুলাই মঙ্গলবারের পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে সততা চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মৌচাক-মগবাজার ফ্লাইওভারের একাংশ উদ্বোধনের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ২৯ মার্চ, ২০১৬

রাজধানী ঢাকার মৌচাক-মগবাজার ফ্লাইওভারের একাংশ উদ্বোধনের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে।

সোমবার (২৯ মার্চ) দিনগত রাত সাড়ে ১২টায় ফ্লাইওভারের সাতরাস্তা মোড় অংশে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে লাল-সবুজ রঙের কাপড় দিয়ে ফ্লাইওভার উদ্বোধনের সাজগোজ চলছে। চলচে ফ্লাইওভার পরিপাটির কাজও।

৩০ মার্চ এই সাতরাস্তা মোড় থেকে মগবাজারের হলি ফ্যামিলি পর্যন্ত ফ্লাইওভারের অংশ জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে মগ্ন নিরাপত্তাকর্মী মোতালেব  বলেন, দু’দিকের রাস্তার কাজই চলছে। তবে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি যেন কম হয়, সেজন্য একাংশ খুলে দেওয়া হবে বুধবার। আর তাই উদ্বোধনের জন্য সাজানো হচ্ছে মৌচাক-মগবাজার ফ্লাইওভারের একাংশ।

আরেক কর্মী চাণক্য রায় বলেন, আমাদের কাজ প্রায় শেষ। আশা করছি কালকের মধ্যে সব কাজ শেষ হয়ে যাবে। লাইটগুলো চেক করা হবে কাল। ৩০ তারিখের আগেই সব কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে।

পুরো ফ্লাইওভারটির কাজই চলতি বছরের ডিসেম্বর নাগাদ শেষ হবে বলে আশা করছেন কর্মকর্তারা।

মৌচাক-মগবাজার ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয় ২০১৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি। দুই বছরের মধ্যে নির্মাণ শেষ করার কথা ছিল। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় এর সময় বাড়ানো হয়েছে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত।

ফ্লাইওভারটি নির্মাণ করছে ভারতের সিমপ্লেক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড ও নাভানার যৌথ উদ্যোগের প্রতিষ্ঠান ‘সিমপ্লেক্স নাভানা জেভি’, চীনা প্রতিষ্ঠান দ্য নাম্বার ফোর মেটালার্জিক্যাল কনস্ট্রাকশন ওভারসিজ কোম্পানি (এমসিসিসি) ও তমা কনস্ট্রাকশন লিমিটেড। সব কাজ তত্ত্বাবধান করছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ।

প্রকল্পটির নির্মাণ ব্যয়ের সাতশ’ ৭২ কোটি ৭০ লাখ টাকার মধ্যে সরকার দিচ্ছে দুশ’ কোটি ৪৭ লাখ, সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট তিনশ’ ৭৫ কোটি ২৫ লাখ এবং ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট দিচ্ছে একশ’ ৯৬ কোটি ৯৮ লাখ টাকা।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..