× Banner
সর্বশেষ
সততা চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন পাইলট প্রকল্পে ৯৯ হাজার শিক্ষার্থী পাবেন বিনামূল্যের পাটের স্কুল ব্যাগ সরকারের ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিমার্জনের উদ্যোগ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগে এনজিওদের এগিয়ে আসার আহ্বান জ্বালানিমন্ত্রীর ২০২৭ সালের হজে ব্যাকঅ্যাপ আবাসন ১% রাখার অনুরোধ বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে – প্রধানমন্ত্রী পাইকগাছায় সুন্দরবনের প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণ প্রতিরোধে অভিজ্ঞতা বিনিময় বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত  কোটচাঁদপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে স্কুলছাত্রীকে হত্যা, ৪ বছর পর যুবকের মৃত্যুদণ্ড দেশে হামের উপসর্গে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু

মেহেরপুরের রাশেদা হত্যা মামলায় তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১৫

মেহের আমজাদ,মেহেরপুরঃ মেহেরপুর শহরের মল্লিকপাড়ার গৃহবধু রাশেদা বেগম (২৫) হত্যাকান্ডের তিন আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে মেহেরপুর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক টিএম মুসা ওই রায় ঘোষণা করেন।

প্রাপ্তরা হচ্ছে- মেহেরপুর সদর উপজেলার যাদবপুর গ্রামের ইমাজ উদ্দিনের ছেলে সেন্টু মিয়া (২৯), আব্দুল মান্নানের ছেলে মিয়ারুল ইসলাম (৩০) এবং একই গ্রামের জহুর আলীর ছেলে কাবিদুল হক (৩২)।

যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ প্রাপ্ত মিয়ারুল ইসলাম, কাবিদুল ইসলাম ও সেন্টু মিয়া এ তিনজনকেই জেলা কারাগারে প্রেরণ করেছে পুলিশ। পরকিয়া প্রেমের জের ধরে রাশেদা বেগমকে শ্বাসরোধ করে খুন করে মাটি চাপা দেওয়ার কয়েকদিন পরে ২০১০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারী যাদপুর মাঠ থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মামলার বিবরনে জানা গেছে, গাংনী উপজেলার চেংগাড়া গ্রামের প্রবাসী আবুল বাসারের স্ত্রী রাশেদা বেগম মেহেরপুর শহরের মল্লিকপাড়ায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। স্বামীর অনুপস্থিতিতের সুযোগে দন্ডপ্রাপ্ত তিন আসামির সঙ্গে পর্যায়ক্রমে পরকিয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। এর জের ধরে ওই তিন আসামি তাকে খুন করে মাটি চাপা দিয়ে রাখে। সদর থানার তৎকালিন এসআই জিহাদ আলী বাদি হয়ে লাশ উদ্ধারের দিনে অজ্ঞাতনামা আসামিদের নামে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইলের সিম কার্ডের সূত্র ধরে ওই তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই বছরের ১০ মে মেহেরপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ আলীর আদালতে হত্যাকান্ডের স্বীকারোক্তি দেয় কাবিদুল ও সেন্টু। একই বছরের ২৮ আগষ্ট তিনজনকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। ১১ জন সাক্ষির সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত ওই রায় প্রদান করেন।

এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি কাজী শহিদুল হক।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..