× Banner
সর্বশেষ
আজ শুরু বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ: কমছে একচেটিয়া মাতৃদুগ্ধ পান, উদ্বেগে বিশেষজ্ঞরা আজ বিশ্ব স্কাউট স্কার্ফ ডে: স্কাউটদের ঐক্য, নেতৃত্ব ও সেবার প্রতীক উদযাপন আজ শনিবার (১ আগস্ট) সকালেই রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ১ আগস্ট (শনিবার) পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে সেউতায় ২৪ ঘণ্টায় ৬০ হাজার অভিবাসীর ঢল, সীমান্তে প্রাণহানি অন্তত ৫৭ পশ্চিমবঙ্গে সন্দেহভাজন হামিদ মন্ডলকে গ্রেপ্তার, ভিআইপি নিরাপত্তা নিয়ে তদন্ত ডিবির অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মাদক কারবারি আটক শাহজালাল বিমানবন্দরে ২ কোটি টাকার চোরাই পণ্য জব্দ ম্যান-মেড ফাইবার পোশাক: বৈশ্বিক বাজারের ১২ শতাংশ দখল করতে পারে বাংলাদেশ রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবির পরিদর্শন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের

মেহরপুরের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে বিএসএফের পাগল পাচার!

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

মেহের আমজাদ,মেহেরপুরঃ মেহেরপুর জেলার বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে পাগল পাচার করছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। সীমান্তবাসীরা বলছে, দীর্ঘ দিন থেকেই বিএসএফ সুযোগ মত এ কাজটি করে আসছে। বিশেষ করে শালিকা, বুড়িপোতা, বাজিতপুর, শোলমারী, রুদ্রনগর, মুজিবনগর, সোনাপুর, নাজিরাকোনা সীমান্ত দিয়ে পাগল পাচারের ঘটনা বেশি ঘটে বলে জানা গেছে। আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে সদর উপজেলার বুড়িপোতা সীমান্তের ১১৭ নং মেইন পিলারের পাশ দিয়ে এক পাগলকে (মহিলা) বাংলাদেশের মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়েছে বিএসএফ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, ১১৭ নং পিলারের বিপরীতে ভারতের শাহাপুর ক্যাম্পের বিএসএফ কাঁটা তারের গেট খুলে জোর করে তাকে ঠেলে দেয়। পাগলটি গালাগালি করতে করতে বাংলাদেশের মধ্যে ঢুকে পড়ে। তার আনুমানিক বয়স ৫০ বছর। পরনে ছিল শাড়ি। গায়ের রং কালো। মাথায় একটা কাপড়ের পুটলা ছিল। পাচার করা পাগলগুলো প্রায়ই হাঁটতে হাঁটতে মেহেরপুর শহরে এসে আশ্রয় নেয়। মাঝে মাঝেই দেখা যায় শহরের মধ্যে পাগলের সংখ্যা বেড়ে গেছে।

মুজিবনগরের স্থানীয় এক সাংবাদিক জানান, তাদের এলাকায় মাঝেই মাঝেই ভারতীয় পাগল দেখা যায়। তারা কেউ বাংলায় আবার কেউ হিন্দিতে কথা বলে। বিএসএফ এসব পাগলকে কাঁটা তারের গেট খুলে পার করে দেয়।

কুষ্টিয়া ৪৭ বিজিবির অধিনায়নক লে. কর্ণেল আবুল কালাম আজাদের সাথে কথা বললে তিনি জানান, বিষয়টি তারা অবগত আছেন। এ বিষয়টি নিয়ে তারা বিএসএফের কাছে প্রতিবাদ করেছেন। এক-দুই জনকে ফেরতও দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, পাচার করা পাগলগুলোর বেশির ভাগই বাংলাদেশী নাগরিক। বিভিন্ন ভাবে তারা ভারতের মধ্যে ঢুকে পড়ে। পরে বিএসএফ তাদের ধরে পাচার করে দেয়।

তবে সীমান্তবাসী দ্বিমত পোষণ করে বলেন, মেহেরপুরের সাথে ভারতের যে সীমান্ত রয়েছে তার পুরোটাই কাঁটা তারের বেড়া দিয়ে ঘেরা। রাত-দিন চব্বিশ ঘন্টা বিএসএফ টহল দেয়। একশ গজ পর পর সার্চ লাইট বসানো আছে। বাংলাদেশী পাগল ভারতে ঢোকার কোন সুযোগ নেই। কাজেই এ বিষয়ে বিজিবি’র কড়া নজরদারী দরকার।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..