× Banner
সর্বশেষ
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিদায়ী নৌপ্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ বিএফটিআই হবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য গবেষণার জাতীয় থিংক ট্যাংক -বাণিজ্যমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে নতুন বিধিনিষেধ, এমপিও শিক্ষক ও ঋণখেলাপিরা অযোগ্য মোদির পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে কংগ্রেসের বিক্ষোভ, শিক্ষার্থী আন্দোলনে পুলিশি ব্যবহারের প্রতিবাদ আট অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সতর্কতা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ভ্যালু-বেইজড শিক্ষা, কমিউনিটি সম্পৃক্ততা ও নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ-প্রাথমিক শিক্ষার নতুন অগ্রাধিকার -প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী প্রবাসীদের জন্য হয়রানীমুক্ত বিমান সেবা নিশ্চিতে আমরা বদ্ধ পরিকর -বিমান মন্ত্রী ২০২৭ সালের হজে বিমান ভাড়া কমলো ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা লক্ষ্মীপুরে সড়ক সংস্কার কাজে দায়িত্বে অবহেলায় ৪ পৌর কর্মকর্তাকে শোকজ প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য ভূমিসেবা সহজ করার নির্দেশ ভূমিমন্ত্রীর 

নিজস্ব প্রতিবেদক

পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ উপ-হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ACP
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ উপ-হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ উপ-হাইকমিশনার জেমস গোল্ডম্যান।

আজ মঙ্গলবার মন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে পরিবেশ সংরক্ষণ, টেকসই উন্নয়ন, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণ, কার্বন ক্রেডিট, জলবায়ু অর্থায়ন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং সুন্দরবন সংরক্ষণে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

পরিবেশমন্ত্রী ব্রিটিশ উপ-হাইকমিশনারকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বিদ্যমান দীর্ঘদিনের দ্বিপাক্ষিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে।

তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হচ্ছে দূষণ নিয়ন্ত্রণ। এ লক্ষ্যে বায়ু, পানি ও বর্জ্য দূষণ  হ্রাসে সরকার বহুমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

মন্ত্রী আরও জানান, সাভারে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে কার্বন মার্কেট থেকে কার্বন ক্রেডিট অর্জনে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। এ খাত থেকে অর্জিত অর্থ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় ব্যবহৃত হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন, সুন্দরবন সংরক্ষণ কার্যক্রম জোরদার এবং উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

ব্রিটিশ উপ-হাইকমিশনার বাংলাদেশের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু খাতে চলমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সমন্বিত উদ্যোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সাক্ষাৎকালে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিব (জলবায়ু পরিবর্তন) এবং বাংলাদেশে অবস্থিত ব্রিটিশ হাইকমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..