× Banner
সর্বশেষ
সততা চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন পাইলট প্রকল্পে ৯৯ হাজার শিক্ষার্থী পাবেন বিনামূল্যের পাটের স্কুল ব্যাগ সরকারের ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিমার্জনের উদ্যোগ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগে এনজিওদের এগিয়ে আসার আহ্বান জ্বালানিমন্ত্রীর ২০২৭ সালের হজে ব্যাকঅ্যাপ আবাসন ১% রাখার অনুরোধ বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে – প্রধানমন্ত্রী পাইকগাছায় সুন্দরবনের প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণ প্রতিরোধে অভিজ্ঞতা বিনিময় বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত  কোটচাঁদপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে স্কুলছাত্রীকে হত্যা, ৪ বছর পর যুবকের মৃত্যুদণ্ড দেশে হামের উপসর্গে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক

নারায়ণগঞ্জের জেরা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে অগ্নি দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হবে -বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

ACP
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের জেরা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে অগ্নি দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হবে -বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, নারায়ণগঞ্জের জেরা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে অগ্নি দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হবে।

গতকাল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে মেঘনা ঘাট জেরা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে চুলার গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ ১২ জনের চিকিৎসার খোঁজখবর নিতে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে যান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ও পিডিবির চেয়ারম্যান মোঃ রেজাউল করিম।

এসময় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলেন এবং সেখানে উপস্থিত আহতদের পরিবারের সদস্যদের ধৈর্য ধারণ ও চিকিৎসার বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরণের সহায়তার আশ্বাস দেন।

উল্লেখ্য, বিদ্যুৎকেন্দ্রটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দুপুরে ক্যান্টিনে খাবার খাচ্ছিলেন। এসময় হঠাৎ ক্যান্টিনের ভেতরে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে উপস্থিত প্রায় ১২ জনের হাত, মুখ ও পা পুড়ে যায়। পরে সহকর্মীরা তাদেরকে দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকার বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে যান।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান জানান, দুপুরে ১২ জন দগ্ধ রোগী হাসপাতালে আনা হয়েছে। তাদের দগ্ধের মাত্রা পরীক্ষা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত দগ্ধ হওয়ায় তিনজনকে আইসিইউ এবং এইচডিইউতে রাখা হয়েছে।

দগ্ধরা হলেন নাজমুল শেখ (৪০), সাইফুল ইসলাম (৩০), রামিজুল (৪৫), আমির (২৫), শঙ্কর (২৫), কাউসার (৩০), তুহিন শেখ (৩০), মনির হোসেন (৪৫), আল আমিন (৪০), ওসমান গনি (৩০), সুপ্রভাত ঘোষ (৪২) ও বদরুল হায়দার (৫০)।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..