× Banner
সর্বশেষ
২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ৫০% কমানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, ১৭ জেলার নদীবন্দরে সতর্কতা আজ ৪ শ্রাবণ মঙ্গলবারের রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২১ জুলাই মঙ্গলবারের পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে সততা চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন পাইলট প্রকল্পে ৯৯ হাজার শিক্ষার্থী পাবেন বিনামূল্যের পাটের স্কুল ব্যাগ সরকারের ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিমার্জনের উদ্যোগ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগে এনজিওদের এগিয়ে আসার আহ্বান জ্বালানিমন্ত্রীর ২০২৭ সালের হজে ব্যাকঅ্যাপ আবাসন ১% রাখার অনুরোধ বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে – প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ৯.৩৮ লাখ কোটি টাকার রেকর্ড বাজেট ঘোষণা কাল

Kishori
হালনাগাদ: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬
রেকর্ড বাজেট ঘোষণা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেটে আগামী অর্থবছর ২০২৬–২৭ এর জন্য প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার রেকর্ড বাজেট ঘোষণা করা হচ্ছে বৃহস্পতিবার। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে এই বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, এটি হবে দেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ বাজেট, যেখানে একদিকে যেমন আকারের দিক থেকে রেকর্ড সৃষ্টি হচ্ছে, অন্যদিকে ঘাটতির চাপও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে।

বাজেটের মূল চিত্র

প্রস্তাবিত বাজেটে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে ঘাটতি থাকবে প্রায় ২ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির প্রায় ৪ শতাংশ।

ঘাটতি পূরণে ব্যাংকিং খাত থেকে প্রায় ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে।

রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয়

আগামী অর্থবছরে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ধরা হচ্ছে প্রায় ৭ লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে প্রায় ৬ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা আদায়ের পরিকল্পনা রয়েছে।

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) ধরা হয়েছে প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। উন্নয়ন ব্যয়ের বড় অংশ দেশীয় ও বৈদেশিক উৎস থেকে সংগ্রহ করা হবে।

অর্থনৈতিক নীতি ও অগ্রাধিকার

বাজেটে সরকারের মূল ফোকাস হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে ডি-রেগুলেশন, সৃজনশীল অর্থনীতি এবং দীর্ঘমেয়াদে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির রূপরেখা।

এছাড়া দারিদ্র্য হ্রাস, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।

সরকারের ফ্ল্যাগশিপ কর্মসূচি হিসেবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচিকে বাজেটে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে।

পূর্ববর্তী অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মূল্যায়ন

বাজেট বক্তৃতায় অতীত সরকারের সময়ের ঋণ পরিস্থিতি ও সুদ ব্যয়ের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি তুলে ধরা হতে পারে। বিশেষ করে বৈদেশিক ও অভ্যন্তরীণ ঋণের বড় ধরনের বৃদ্ধি এবং সুদ ব্যয়ের চাপকে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে উপস্থাপন করা হবে বলে জানা গেছে।

প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি লক্ষ্যমাত্রা

আগামী অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬.৫ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশের মধ্যে রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে মূল্যস্ফীতি তুলনামূলকভাবে উচ্চ অবস্থানে থাকায় এটি নিয়ন্ত্রণকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সার্বিক চ্যালেঞ্জ

বিশ্লেষকদের মতে, এত বড় বাজেট বাস্তবায়নে রাজস্ব আহরণ, ঋণ ব্যবস্থাপনা এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ—সব মিলিয়ে সরকারের জন্য বড় ধরনের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে।

এই বাজেট দেশের অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও নতুন নীতিকাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..