× Banner
সর্বশেষ
ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশি শ্রমিকদের আরও কর্মসংস্থানের সুযোগ চান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রকল্পের টাকা জনগণের, এক টাকার অপচয়ও সহ্য করা হবে না: তথ্যমন্ত্রী হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগানো দালাল চক্র ও সিজার বাণিজ্য স্থায়ীভাবে বন্ধ হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ঢাকা গড়া সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার: মীর শাহে আলম বাঘ রক্ষা মানেই সুন্দরবনের প্রতিবেশ সুরক্ষা: পরিবেশ মন্ত্রী দেশেই উন্নত চিকিৎসায় বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে: ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন যশোর সিমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান পণ্য আটক  নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে জাতীয় পর্যায়ে শৈলকুপার তিন কিশোরীর সাফল্য নগদ বিক্রি নিয়ে গুজব ভিত্তিহীন, রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনা বহাল থাকবে: ফকির মাহবুব আনাম জামায়াত নেতার ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা বিধবা নারী; গর্ভের সন্তান নষ্টের অভিযোগ

তালা-পাটকেলঘাটা কপোতাক্ষ অববাহিকায় ২০ টি বিলে জলাবদ্ধতায় আমন ধান চাষে সীমাহীন দুর্ভোগ

admin
হালনাগাদ: শুক্রবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০১৭

এস.এম মফিদুল ইসলাম, পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি ॥  জলাবদ্ধতার কবলে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার কপোতাক্ষ অববাািহকার বিস্তীর্ণ অঞ্চল। এর ফলে আমন ধান থেকে বঞ্চিত হয়েছে ওই এলাকার কৃষকরা। তাই আমন ধানের ঘাটতি পুষিয়ে নিতে বোরো চাষ করতে এক সপ্তাহ ধরে শ্যালো মেশিন দিয়ে পানি নিষ্কাশন করতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কৃষকরা।

তালা উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর উপজেলায় ১৭ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। শ্যালো মেশিন দিয়ে পানি সেচের মাধ্যমে বিলগুলোর জলাবদ্ধতা দূর করা গেলে এ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হবে।

সরেজমিনে গতকাল তালা উপজেলার ইসলামকাটি চলিশার বিল, ভবানীপুর, ঘোনা, পারঘোনা, ডেমশাখোলা, বারাত, মোহনা, কলিয়া, দেওয়ানীপাড়া, শুভাষিনী, লক্ষ্মণপুর, মির্জাপুর, কেসমতঘোনা, কাজীডাঙ্গা গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে এসব এলাকার কমপক্ষে ২০টি বিলে প্রায় ৪ হাজার বিঘা জমি জলাবদ্ধতার কারণে আমন চাষ হয়নি। বৃষ্টির পানিতে ছয় মাস যাবৎ তিন থেকে চার ফুট পানি বিদ্যমান। সেক্ষেত্রে বর্ষা মৌসুমে ওই সব বিলে শাপলা, চেঁচো ঘাষ ভর্তি হয়ে যায়। এজন্য বোরো চাষ করতে কৃষকরা এসব বিলের পানি শ্যালো ইঞ্জিন চালিত পাম্প দিয়ে নিষ্কাশন করছেন। এ সবের মধ্যে তালা-পাটকেলঘাটা সড়কের ইসলামকাটি ব্রিজের দক্ষিণ পাশে ১৬টি শ্যালোমেশিন দিন-রাত বিরামহীন কাজ করে যাচ্ছে।

গোপালপুর গ্রামের কৃষক মতিয়ার রহমান জানান, ঘোনা বিলে তার সাত বিঘে জমি রয়েছে। জলাবদ্ধতার কারণে তিনি আমন ধান চাষ করতে পারেন নি। মাছ চাষের পাশাপাশি বোরো মৌসুমে ধান চাষ না করতে পারলে অনেক কষ্টে দিন কাটানো ছাড়া উপায় থাকবে না।

একই ইউনিয়নের প্রবীর সরকার জানান প্রতি বছর ছয় মাস জল জমে থাকায় ভবানীপুর বিলে আমন ধান হয় না।যে কারনে বাধ্য হয়ে জমির মালিকরা জমির হারি দিতে বাধ্য হয়েছে। তবে মাঘ মাসের শেষের দিকে বিলে জল কমে গেলে কৈ, চ্যাং, শৈল, মাগুরসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়। তাতে আমন ধানের ঘাটতি পোষায় না। বাধ্য হয়ে বোরো মৌসুম শুরুতেই এলাকার কয়েকিিট বিলের জমির মালিকদের নিয়ে এবারো জল সেচের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে ইসলামকাটি ব্রীজের দক্ষিণ পাশে ১৬টি শ্যালো মেশিন বসানো হয়েছে। এভাবে চলতি মৌসুমে বোরো চাষ করতে পারলে কৃষকরা কিছুটা ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে পারবে।

তালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সামসুল আলম জানান, আমনের ঘাটতি পূরণে কপোতাক্ষ তীরবর্তী কমপক্ষে ২০ টি বিলের জমির মালিকরা পানি সেচ করে বোরো ধানের উদ্যোগ নিয়েছেন। ফলে খরচ একটু বেশি হলেও তাদের টার্গেট পূরণ হবে।
তালা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জানান পানি সেচ করে ধান চাষ কৃষকদের মহতি উদ্যোগ।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..