× Banner
সর্বশেষ
২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ৫০% কমানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, ১৭ জেলার নদীবন্দরে সতর্কতা আজ ৪ শ্রাবণ মঙ্গলবারের রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২১ জুলাই মঙ্গলবারের পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে সততা চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন পাইলট প্রকল্পে ৯৯ হাজার শিক্ষার্থী পাবেন বিনামূল্যের পাটের স্কুল ব্যাগ সরকারের ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিমার্জনের উদ্যোগ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগে এনজিওদের এগিয়ে আসার আহ্বান জ্বালানিমন্ত্রীর ২০২৭ সালের হজে ব্যাকঅ্যাপ আবাসন ১% রাখার অনুরোধ বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে – প্রধানমন্ত্রী

তালায় ভূমি কর্মকর্তার যোগসাজসে পেরিফেরি সম্পত্তিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১০ মে, ২০১৬

এস.এম মফিদুল ইসলাম, পাটকেলঘাটা প্রতিনিধিঃ তালা উপজেলার খলিষখালী ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা অসীম কুমার হালদার এর বিরুদ্ধে সীমাহীন ঘুষ বানিজ্য পেরিফেরি ভুক্ত সম্পত্তিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণে সহযোগিতা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, ঐ অফিসাধীন ২২টি মৌজায় পেরিফেরিভুক্ত ৮ টি হাট-বাজার রয়েছে। এসব হাট-বাজারের পেরিফেরিভুক্ত সম্পত্তিতে জেলা প্রশাসনের নিকট থেকে বন্দোবস্ত নিয়ে আধা পাকা দোকান ঘর নির্মাণ করার কথা। কিন্তু দুর্নিতি পরায়ণ ভূমি কর্মকর্তা মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে পাকা দোকানঘর নির্মাণের সহযোগিতা করে আসছে।

গতকাল সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, ঐ অফিসাধীন মাগুরা বাজার পেরিফেরিভুক্ত সম্পত্তিতে একই মৌজার সুভাষ দত্তের পুত্র সন্দীপ দত্ত চারিখাদার গ্রামের মৃত্যুঞ্জয় ও উজ্জল দাশ কংক্রিটের ৩ টি পাকা দোকান ঘর নির্মাণ করেছেন্। তথ্যানুসন্ধানকালে অবৈধ দোকানঘর নির্মাণকারীদের খুজে না পেয়ে মাগুরা ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা কার্তিক চন্দ্র’র সাথে কথা হলে তিনি এ প্রতিবেদক কে জানান, খলিষখালী ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার মৌখিক অনুমতি ও তার সহযোগিতায় পাকা দোকান ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, এর আগেও একবার ঐসব অবৈধ দখলদারিরা সরকারী নিয়মনীতি উপেক্ষা করে সম্পূর্ণ গায়ের জোরে পেরিফেরিভুক্ত সম্পত্তিতে পাকা দোকানঘর নির্মাণ শুরু করে।

বিষয়টি উপজেলা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর পর তা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হয়। কিন্তু এবার খলিষখালী ভূমি অফিসে দায়িত্বরত কর্মকর্তার সহযোগিতায় পাকা দোকানঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত ভূমি সহকারী কর্মকর্তা অসীম কুমারের কাছে জানতে চাওয়া হলে সাংবাদিক পরিচয় জানতে পেরে তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠেন। ঐ অফিস সহায়ক আব্দুস সামাদ মোড়লের কাছ থেকে কিছু তথ্য প্রমান সংগ্রহ করে এ রির্পোট প্রস্তুত করা হয়েছে। অবৈধভাবে সরকারী সম্পত্তিতে কেউ দোকানঘর নির্মাণ করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহাবুুবুর রহমান জানান।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..