× Banner
সর্বশেষ
বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: মির্জা ফখরুল পদত্যাগের চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন: অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নতুন বঙ্গভবন প্রধান কে? সক্রিয় মৌসুমি বায়ু: দেশজুড়ে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা, বাড়তে পারে তাপমাত্রা রাজপথে ছড়ানো গুজবে কান না দেয়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলের: নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পালনে সরকার বদ্ধপরিকর দেশের বাজারে সোনার দামে বড় পতন: ভরিতে কমলো ৩৩২৪ টাকা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বার্তা ও অনশন ভঙ্গ: যন্তর-মন্তরে কাটল জট, জয়ে ফিরল সাধারণতন্ত্র জগন্নাথদেবের পুনর্যাত্রা আজ: উল্টো রথযাত্রার ধর্মীয় তাৎপর্য, ইতিহাস ও আধ্যাত্মিক বার্তা সোনম ওয়াংচুক অনশন প্রত্যাহার, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত আজ ২৪ জুলাই বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় সকাল ৯টার মধ্যে ১০ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

ঠাকুরগাঁওয়ে দুটি বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ

admin
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ৬ জুলাই, ২০১৭

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ॥ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আখানগর ইউনিয়নে দুটি কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারী গোপনে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে আখানগর ইউনিয়নের ধনীপাড়া কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নাহিদা পারভীন, লতা বালা ও দেহন কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কৌশলা রানী রায়, ভারতী রানী রায় নামে ৪জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। অথচ শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি সংশিষ্ট বিদ্যালয়ের সভাপতি, প্রধান শিক্ষক কেউই জানেন না।
এই দুটি বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি জানতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে প্রধান শিক্ষক বরাবর পত্র পাঠায়। ওই দুটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিক্ষা অধিদপ্তরে উল্টো পত্র পাঠান বিদ্যালয়ে কোন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়নি। তারপর কেমন করে এই দুটি বিদ্যালয়ে ৪জন শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে এটি নিয়ে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।
ধনীপাড়া কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উম্মে কুলসুম বলেন, ২০১৩ সালে কখন কিভাবে আমার বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক কেমন করে নিয়োগ হয়েছে তা আমরা জানিনা। একটি কুচক্রি মহল মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে এ কাজটি করেছে।
শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে আমাদের চিঠি দিয়েছিল। আমরা সেই চিঠিতে পরিস্কার ভাবে বলেছিলাম বিদ্যালয়ে কোন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়নি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেছিলাম। কিন্তু কোন লাভ হয়নি।
একই অভিযোগ করে দেহন কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাসন্তী রাণী ।
এদিকে ওই দুটি বিদ্যালয়ের শিক্ষক যোগাদান করার জন্য বিদ্যালয়ে বার বার যাচ্ছে। এতে করে শিক্ষক ও স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।
শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার কথা বলতে রাজী হয়নি। তবে নাম না প্রকাশ করার শর্তে একজন কর্মকর্তা জানান, রাজনৈতিক চাপে ওই ২ বিদ্যালয়ে অবৈধ নিয়োগকে বৈধতা দেখাতে গত ২০১৩ সালে উপজেলা শিা কমিটি সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়। তারপর থেকে সংশিষ্ট শিক্ষক ও তাদের অভিভাবকরা উপজেলা শিক্ষা অফিসে সকাল বিকেল ধর্না দিচ্ছেন।
এ ব্যাপারে জেলা শিক্ষা অফিসার এ এম শাহজাহান সিদ্দিক বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারি হওয়ায় কেউ অবৈধ নিয়োগ দিয়ে রাতারাতি সরকারি হওয়ার সুযোগ নিলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..