× Banner
সর্বশেষ
পেটে ঢুকিয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা,আটক গাজীপুরের তরুণী টেপ বল ক্রিকেটকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে – যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সাত মন্ত্রণালয়ের তিন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী বগুড়ায় আসছেন শনিবার চট্টগ্রাম আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি দুর্ঘটনায় পেহেলির অকাল মৃত্যুতে মা-বাবার ভবিষ্যৎ স্বপ্নের সমাধি জুলাই আন্দোলনের ত্যাগকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে – তথ্যমন্ত্রী পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়ে অপপ্রচার, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি শিগগিরই শুরু হবে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ – পানি সম্পদ মন্ত্রী সংবাদপত্র সমাজের দর্পণ – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী শেখ হাসিনা কি বেঁচে আছেন, না কি মারা গেছেন- রাশেদ খাঁন

টেন্ডার ছাড়াই বিদ্যালয়ের গাছ কাটলেন সভাপতি-প্রধান শিক্ষক দম্পতি

Kishori
হালনাগাদ: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬
টেন্ডার ছাড়াই বিদ্যালয়ের গাছ কাটলেন

নওগাঁর মান্দায় সরকারি নিয়ম ও টেন্ডার প্রক্রিয়াকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একটি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অর্ধলক্ষাধিক টাকার মূল্যবান গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়টির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী হওয়ায়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে তারা এই কাজ করেছেন বলে জানা গেছে।
গত শুক্রবার (১২ জুন) সাপ্তাহিক ছুটির দিনে গোপনে উপজেলার গনেশপুর-সতিহাট (জিএস) বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দুটি মেহগনি ও একটি কৃষ্ণচূড়া গাছ কেটে নেওয়া হয়।
সরেজমিনে এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গনেশপুর-সতিহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি দেওয়ান ইকরামুল হক বাচ্চু এবং প্রধান শিক্ষক মনোয়ারা বেগম সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই দম্পতি এর আগেও বিভিন্ন অজুহাতে প্রতিষ্ঠানের গাছ কেটে পকেটস্থ করেছেন। প্রমাণ লোপাটের জন্য গাছ কাটার পর তারা প্রায়শই গাছের গোড়ায় মাটি চাপা দিয়ে রাখেন।
বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী আব্বাস আলী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, “টেন্ডার হয়েছে কি না তা আমি জানি না। তবে গত শুক্রবার প্রতিষ্ঠানের তিনটি গাছ কেটে বিক্রি করেছেন প্রধান শিক্ষক মনোয়ারা বেগম।”
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মনোয়ারা বেগমের সাথে যোগাযোগ করা হলে রেজুলেশন বা টেন্ডার না হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে তিনি বলেন, “গাছ কাটার জন্য কোনো রেজুলেশন করা হয়নি। প্রতিষ্ঠানের স্বার্থেই গাছ কাটা হয়েছে।” এর বাইরে তিনি আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
 প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি দেওয়ান ইকরামুল হক বাচ্চুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “গাছ কাটা হয়েছে তাতে আপনাদের কী সমস্যা? আমাদের প্রয়োজনে গাছ কাটা হয়েছে। আপনারা যা পারেন করেন।”
যোগাযোগ করা হলে মান্দা উপজেলা বন কর্মকর্তা আহম্মদ আলী জানান, উক্ত বিদ্যালয়ের গাছ কাটার বিষয়ে বন বিভাগ থেকে কোনো টেন্ডার বা অনুমতি নেওয়া হয়নি। তারা কীভাবে গাছ কেটেছেন তা তারাই ভালো বলতে পারবেন।
এ বিষয়ে মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আখতার জাহান সাথী বলেন, “সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী টেন্ডার ছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গাছ কাটার কোনো নিয়ম নেই। যদি নিয়মবহির্ভূতভাবে গাছ কাটা হয়ে থাকে, তবে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”


এ ক্যটাগরির আরো খবর..