× Banner
সর্বশেষ
বাঁশখালীকে বন্যা মুক্ত করতে টেকসই বেড়িবাঁধ ও খাল পুনঃখননের আশ্বাস ত্রাণমন্ত্রীর ফের গ্রেফতার তনু হত্যায় সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর রহমান বাজার সিন্ডিকেট ও মজুতদারি করলেই কঠোর ব্যবস্থা – আইনমন্ত্রী গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে প্রথম বেইমানি করেছেন জামায়াত আমির – রাশেদ খান সাড়ে ৬ বছরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১৫ হাজার ৭১২ জন বেনাপোল পৌরসভায় যুবদল নেতা ইমদাদুল হক ইমদাদের গণসংযোগ ও মতবিনিময় নাটোরের ঐতিহ্যকে সারা বিশ্বে তুলে ধরতে চাই – বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আঞ্চলিক যুদ্ধের মধ্যে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তি সই সিরাজগঞ্জে ওভারপাসে উঠতে গিয়ে দুর্ঘটনা, বাসচালকসহ নিহত ২ যুদ্ধবিরতির ৩০০ দিনে গাজায় ৩০০ শিশু নিহত

খুলনায় বাবাসহ ব্যাংক কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার

admin
হালনাগাদ: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

বিশেষ প্রতিনিধিঃ খুলনায় সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে এক্সিম ব্যাংকের ক্যাশ কর্মকর্তা পারভিন সুলতানা (২৪) ও তার বৃদ্ধ বাবা ইলিয়াস হোসেন চৌধুরীর (৭০) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা, ডাকাতি ও মেয়েকে ধর্ষণের পর দু’জনকেই শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার রাত ১১টার দিকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) লবণচরা থানা এলাকার বুড়া মৌলভীর দরগার পেছনে ৩নং রোড়ে একটি টিনশেড বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এই বাড়িতে বাবা-মেয়ে গত তিন বছর ধরে বসবাস করে আসছিলেন।

নিহত ব্যাংক কর্মকর্তার ভাই রেজাউল আলম চৌধুরী জানান, ঢাকা থেকে তার বড় বোন মোবাইলে জানান পারভিন এবং তাদের বাবার মোবাইল ফোন দীর্ঘক্ষণ ধরে বন্ধ পাচ্ছেন। তিনি দ্রুত বাড়িতে গিয়ে তাদের খোঁজ নিতে বলেন। এই সময় তিনি বাড়িতে এসে দেখেন দরজায় তালা মারা। তিনি বলেন, পরে আমি এবং আবু সাইদ নামে একজন ভেতরে প্রবেশ করি। এ সময় ঘরের সমস্ত আসবাব এলোমেলো এবং ব্যাংকের চেকবই ছড়ানো-ছিটানো দেখতে পাই। পরে দুই সেফটিক ট্যাঙ্কে বাবা ও বোনের দেহ পড়ে থাকতে দেখি। তাদের সেখান থেকে উদ্ধার করে বুঝতে পারি দু’ইজনই মৃত।

রেজাউল আলম চৌধুরী আরও জানান, পারভিন সুলতানার এক বছর আগে বিয়ে হয়েছে। তার স্বামীও একই ব্যাংকে ঢাকায় কর্মরত আছেন। ঘটনা শোনার পর তিনি খুলনার পথে রওনা হয়েছেন। তিনি জানান, তার বাবা এখানে তিন বছর আগে টিনশেডের বাড়ি তৈরি করেছেন। তবে তিনি (রেজা) শহরে ইজিবাইক চালান বলে অন্যত্র থাকেন।

লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন জানান, তারা খবর পেয়ে ১১টার পর ঘটনাস্থলে আসেন। লাশ দুটির গলায় শ্বাসরোধের চিহ্ন রয়েছে। ঘাতকচক্র নিহতদের পরিচিত বলে ধারণা করা হচ্ছে। ডাকাতি করার সময় চিনে ফেলায় তাদের হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তিনি বলেন, বাসার বাইরে থেকে রক্তমাখা একটি রামদা উদ্ধার করা হয়েছে। ঘরের ভেতর সিগারেট খাওয়ার চিহ্ন রয়েছে। ঘরের মধ্যে একটি কনডম পাওয়া গেছে, যা আলমত হিসেবে জব্দ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও জানান, লবণচরা থানা পুলিশ রাতে লাশ দুটির সুরাতহাল রিপোর্ট তৈরি করে শনিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। নিহত বৃদ্ধ ইলিয়াস হোসেনের গলায় ফাঁসের দাগ রয়েছে। ব্যাংক কর্মকর্তা পারভিন সুলতানার দেহ বিবস্ত্র অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। কেএমপির ডেপুটি কমিশনার (দক্ষিণ) জাহাঙ্গীর হোসেন বিশ্বাসসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত বলে ধারণা করছেন। জাহাঙ্গীর হোসেন বিশ্বাস বলেন, আলামত এবং লাশ দেখে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ব্যাংক কর্মকর্তা পারভিন সুলতানাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। পরে বাবা-মেয়ে দু’জনকেই হত্যা করা হয়েছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..