× Banner
সর্বশেষ
বগুড়া-২ আসনে ‘প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ’ উপলক্ষে শিক্ষকদের নিয়ে মতবিনিময় সভা বর্তমান সংসদের দিকে তাকিয়ে আছে দেশের ১৮ কোটি মানুষ – ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ফ্যাসিবাদ উৎখাতের পর্ব শেষ, এখন আমাদের দেশ গড়ার পালা – তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুঁশিয়ারি ইরানের রাজধানীর দুই মেট্রো স্টেশনে ‘বোমা সদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ ‘বিশ্বকাপ বিক্রি’র পরিকল্পনা বাতিলের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ফিফাকে সতর্ক করল এএফসি র‍্যাবের ‘আয়না ঘর’ পরিদর্শনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারকেরা মোবাইল ফোনে কার্টুন দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বিগ্ন না হয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৩১, মামলা ২৩

ভারত প্রতিনিধি

বাংলার ত্রিবেণী সঙ্গমে ৭০৩ বছর পরে আবার আজ মহাপূণ্যস্নান

Dutta
হালনাগাদ: রবিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২২

প্রাচীনকাল থেকেই সাধু-সন্ন্যাসী মুনি-ঋষি এবং নাগা সন্ত মাঘী-সংক্রান্তীতে ত্রিবেণী সঙ্গমস্থলে পুণ্যস্নান করতেন এবং জগৎ কল্যাণার্থে বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে স্বর্গের দেবতাদের তুষ্ট করতেন। সেন রাজাদের পরবর্তী কালে ইসলামিক শাসনের সূচনা পর্ব থেকেই বন্ধ হয়ে যায় ত্রিবেণীর কুম্ভ স্নান। সেই পরমম্পরা তথা সনাতন রীতিকে মাথায় রেখে দীর্ঘ ৭০৩ বছর পরে  আজ ১৩ ফেব্রুয়ারী, বাংলা ৩০ মাঘ(মাঘ মাসের সংক্রান্তীতে) ত্রিবেণী সঙ্গমে আবার মহাপুণ্যস্নানসাধু ভাণ্ডারার ব্যবস্থা করা হয়।

গতকাল ১২ ফেব্রুয়ারি বিকেলে শুরু হয় রুদ্রা অভিষেক তারপর ৫১টা শক্তিপীঠের উদ্দেশ্যে ৫১টা রুদ্র মহাযজ্ঞ। বৈদিক মন্ত্র উচ্চারণে গম গম করেছিল ত্রিবেণী সঙ্গমস্থলের চারিদিক।  সাধুসন্তু সন্ন্যাসীদের বৈদিক মন্ত্রোচ্চারনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো গঙ্গা আরতি। সন্ধ্যায় গঙ্গা আরতি দেখার জন্য হাজার হাজার ভক্তের সমাগম হয়। একদিকে কীর্ত্তন অন্যদিকে বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণে পুরো ত্রিবেণী সঙ্গম মুখরিত হয়ে ওঠে।

আজ ১৩ ফেব্রুয়ারী রবিবার ভোর ৩-৩০ মিনিটে মকর রাশি থেকে কুম্ভরাশি শুরু হওয়ায় সমবেত শঙ্খধ্বনির মাধ্যমে শুরু হবে মহাপূণ্য কুম্ভস্নানের সূচনা। সকাল ৭টায় আদিত্য হৃদয় স্তোত্রের মাধ্যমে স্নান শুরু হবে। সাধু সন্ন্যাসীদের জন্য সকাল ৮-৫৬ মিনিট পর্যন্ত মহাপূণ্যস্নান। সাধারণ পুণ্যার্থীদের জন্য দুপুর ১২-৪১মিনিট পর্যন্ত চলবে পবিত্র স্নান। তারপর ভজন কীর্তন এবং সবশেষে মহাপ্রসাদ বিতরণ।

যুগ যুগ ধরে মুনিঋষিদের পদধুলিতে পবিত্র এই ছোট্ট শহর। প্রাচীনকাল থেকেই সাধু-সন্ন্যাসী মুনি-ঋষি এবং নাগা সন্ত মাঘী-সংক্রান্তীতে ত্রিবেণী সঙ্গমস্থলে পুণ্যস্নান করতেন এবং জগৎ কল্যাণার্থে বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে স্বর্গের দেবতাদের তুষ্ট করতেন। সেন রাজাদের পরবর্তী কালে ইসলামিক শাসনের সূচনা পর্ব থেকেই বন্ধ হয়ে যায় ত্রিবেণীর কুম্ভ স্নান।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..