× Banner
সর্বশেষ
সরকার শুধু স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নয়, সার্বিক উন্নয়নে বদ্ধপরিকর – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণে বুথ ভাড়া মওকুফ করা হবে – বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার – বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী শ্যামনগরে দুই ক্লিনিককে মোবাইল কোর্টে জরিমানা আগস্টে শুরু হচ্ছে ৪ দিনব্যাপী ‘আবাসন মেলা’ বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রকল্পে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে – আফরোজা নতুন কুঁড়ি ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন সিলেট-রংপুর নারী ও কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতা জাতীয় সংকটে পরিণত হয়েছে – মহিলা পরিষদ কালীগঞ্জের পত্রিকা বিতরণকারী জাহাঙ্গীরের মৃত্যু

আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে যশোরে বিশ্ব ইজতেমার সমাপ্তি

admin
হালনাগাদ: শনিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৫

যশোর প্রতিনিধি: দেশবাসীর কল্যাণ কামনায় আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে যশোরে শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমা। আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে ফজরের নামাজশেষে ইজতেমাস্থলের দিকে আসতে শুরু করে হাজারে হাজারে মানুষ।

আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন ঢাকাস্থ কাকরাইল মসজিদের শুরা সদস্য তাবলিগ জামাতের মুরুব্বি মাওলানা আহম্মদ হোসাইন। বেলা ১২টার কিছু সময় আগে মোনাজাত শেষ হয়। তিনি গোটা বাংলাদেশের মানুষের শান্তি ও কল্যাণ কামনা করেন। ইজতেমাস্থলে আগত এবং বাইরে থাকা সকলের হেদায়েত কামনা করেন তিনি। মোনাজাত পরিচালনাকালে তিনি পরম করুণাময়ের কাছে সমস্ত মুসলিম জাতি যেনো সহি সালামতে থাকতে পারেন, ঈমানের সঙ্গে যেনো দুনিয়ার সব কাজকর্ম পরিচালনা করতে পারেন- সেলক্ষ্যে মহানআল্লাহর করুণাভিক্ষা করেন। এর আগে যশোরে অনুষ্ঠানরত বিশেষ ইজতেমায় শুক্রবার মানুষের ঢল নামে। বিশেষ করে শহর ও দূরদুরান্তের বহু মানুষ ইজতেমা মাঠে জুমার নামাজ আদায় করতে ছুটে আসেন। জুমার নামাজে কয়েক লাখ মুসল্লির সমাবেশ ঘটে। মূল ইজতেমাস্থলে স্থান সংকুলান না হওয়ায় আশপাশের ফাঁকা জায়গা, সড়কসহ বিভিন্ন স্থানে নামাজে দাঁড়িয়ে যান মুসল্লিরা। গত বৃহস্পতিবার যশোর উপশহরে শুরু হয় বিশেষ ইজতেমা। শনিবার ইজতেমার তৃতীয় ও শেষদিন।

এদিন ইজতেমা মাঠে ও তার আশপাশে আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে সকাল থেকেই পায়ে হেঁটে ও  নানা ধরনের যানবাহনে চেপে হাজার হাজার মানুষকে যেতে দেখা যায়। আয়োজক কমিটির নেতারা জানিয়েছেন, ফজরের নামাজের পর থেকে তৃতীয় দিনের বয়ান শুরু হয়। যশোর উপশহর কলেজ মাঠ ও তৎসংলগ্ন চারটি মাঠসহ আশপাশের এলাকায় সমবেত ধর্মপ্রান মুসল্লিরা এ বয়ান শোনেন। গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার গভীর রাত পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন জেলার তাবলিগ জামাতের মুরব্বিরা বয়ান পেশ করেন।

শনিবার দুপুরে আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে ইজতেমা শেষ হলো। গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমায় মুসল্লিদের জায়গা সংকুলান না হওয়ায় গত বছর বিশ্ব ইজতেমাকে দু’ভাগে বিভক্ত করা হয়। ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে ঢাকা ও এর আশপাশের ৩২টি জেলার মুসল্লিরা টঙ্গীর ইজতেমায় অংশগ্রহণ করবেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..