× Banner
সর্বশেষ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি চায় ইরান: ট্রাম্প মশা দমনে ওলবাকিয়া পদ্ধতি, যুক্তরাষ্ট্রে নতুন পদ্ধতির প্রয়োগ আগস্টে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, হতে পারে তাপপ্রবাহ ও বন্যা পদ্মশ্রীপ্রাপ্ত যোগগুরু স্বামী শিবানন্দের আবির্ভাব দিবস আজ আজ শনিবার (৮ আগস্ট) সকালেই রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ৮ আগস্ট (শনিবার) পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে পেটে ঢুকিয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা,আটক গাজীপুরের তরুণী টেপ বল ক্রিকেটকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে – যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সাত মন্ত্রণালয়ের তিন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী বগুড়ায় আসছেন শনিবার চট্টগ্রাম আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ডেস্ক

আওয়ামী লীগ সরকারের বিতর্কিত চুক্তিতেই তেল নিচ্ছে বাংলাদেশ

Kishori
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬
পাইপলাইনে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের নিষিদ্ধ ঘোষিত দল Awami League সরকারের করা একটি চুক্তির অধীনেই বর্তমান সরকারকে ভারত থেকে তেল নিতে হচ্ছে—এমন অভিযোগ তুলে রাজনৈতিক বিতর্ক আবারও সামনে এসেছে। অনেকের মতে, এটিই সেই বিতর্কিত চুক্তি, যাকে একসময় ‘দেশ বিক্রির চুক্তি’ বলে সমালোচনা করা হয়েছিল।

এই চুক্তি হয়েছিল বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী Sheikh Hasina এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi–এর আমলে। ২০২৩ সালের ১৮ মার্চ দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন ১৩১.৫৭ কিলোমিটার দীর্ঘ Indo-Bangla Friendship Pipeline। এর মাধ্যমে ভারতের শিলিগুড়ি থেকে বাংলাদেশের দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে উচ্চগতির ডিজেল সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়।

প্রকল্পটির চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ২০১৭ সালের ২২ অক্টোবর। তখন বিরোধী দল Bangladesh Nationalist Party (বিএনপি)–র মহাসচিব Mirza Fakhrul Islam Alamgir এই চুক্তিকে ‘গোলামির চুক্তি’ বলে সমালোচনা করেছিলেন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই চুক্তির আওতায় ভারত থেকে জ্বালানি নিতে হওয়াকে অনেকেই রাজনৈতিক বিদ্রূপ হিসেবে দেখছেন।

সমালোচকদের মতে, একসময় যাকে ভারতের সঙ্গে অসম চুক্তি বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছিল, আজ বাস্তবতার কারণে সেই ব্যবস্থার ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে। অন্যদিকে অনেক বিশ্লেষক মনে করেন, এই পাইপলাইন প্রকল্প মূলত জ্বালানি সরবরাহ সহজ ও দ্রুত করার জন্য করা হয়েছিল এবং এটি দুই দেশের জ্বালানি সহযোগিতার অংশ।

প্রকল্পটির মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ১৩১.৫৭ কিলোমিটার। এর মধ্যে প্রায় ১২৬ কিলোমিটার অংশ বাংলাদেশে এবং প্রায় ৫ কিলোমিটার ভারতের অংশে অবস্থিত। বছরে প্রায় ১০ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল পরিবহনের সক্ষমতা রয়েছে এই পাইপলাইনের।

প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ৩৭৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে ভারতের পক্ষ থেকে প্রায় ২৮৫ কোটি টাকা অনুদান হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। লক্ষ্য ছিল, দক্ষিণ এশিয়ায় জ্বালানি সহযোগিতার একটি নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করা এবং দুই দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা।

তবে এই প্রকল্প ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। এক পক্ষ এটিকে পারস্পরিক সহযোগিতার উদাহরণ হিসেবে দেখলেও অন্য পক্ষের দাবি—এ ধরনের চুক্তি বাংলাদেশের জ্বালানি নীতিতে অতিরিক্ত নির্ভরতা তৈরি করতে পারে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..