× Banner
সর্বশেষ
ধর্মমন্ত্রীর আশু আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের বিশেষ দোয়া দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি পাওয়া স্বচ্ছ নিয়োগের প্রমাণ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৫-২৬ জুলাই ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিআইইআর সামিট ২০২৬ বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন, পরিকল্পিত আধুনিক নগর গঠনের উদ্যোগ বাজেট বাস্তবায়নেই সাফল্য, কক্সবাজারকে আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরী গড়ার পরিকল্পনা: অর্থমন্ত্রী FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মহাতীর্থ স্থান লাঙ্গলবন্দে পুণ্যস্নান

Kishori
হালনাগাদ: শনিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০১৯

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মহাতীর্থ স্থান নারায়ণগঞ্জের লাঙ্গলবন্দে পুণ্যস্নান হয়েছে গতকাল শুক্রবার। প্রতিবছর চৈত্র মাসের শুক্লাষ্টমী তিথিতে স্নান করতে আসেন দেশ-বিদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বী লাখ লাখ পুণ্যার্থী। শুক্রবার  বেলা ১১টা ৫ মিনিট থেকে  শনিবার সকাল ৮টা ৫৫ মিনিট ২২ সেকেন্ড পর্যন্ত তিথি। এ উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয় পুলিশ।

২০০৭ সালে বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে প্রায় ২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে লাঙ্গলবন্দে উন্নয়ন ও পর্যটনকেন্দ্র নির্মাণ করতে আমব্রেলা প্রজেক্ট বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে সেটি এখনো আলোর মুখ দেখেনি। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন কার্যক্রম চলছে ঢিমেতালে।

২০১৫ সালের ২৭ মার্চ লাঙ্গলবন্দে পদদলিত হয়ে ১০ জনের মৃত্যু ঘটে। শোকাবহ এই ঘটনার পর আন্তর্জাতিক মানের পূর্ণাঙ্গ তীর্থস্থান হিসেবে গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর ৩৫০ কোটি টাকার একটি প্রস্তাবনা পাঠায় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিবছর লাঙ্গলবন্দ স্নান উৎসব এলে প্রশাসনের তোড়জোড় দেখা যায়। স্নান উৎসব শেষ হওয়ার পর তাদের কোনো ধরনের কার্যক্রম দেখা যায় না।

মহাতীর্থ লাঙ্গলবন্দ স্নান উৎসবের আয়োজন যেখানে করা হয় সেই ব্রহ্মপুত্র নদ দীর্ঘদিন ধরেই রয়েছে দূষণের কবলে। বাংলাদেশ হিন্দু কল্যাণ সংস্থার কেন্দ্রীয় সদস্য রণজিৎ মোদক বলেন, ‘এবার ললিত সাধুর ঘাট, অন্নপূর্ণা ঘাট, রাজঘাট, কালীগঞ্জ ঘাট, মা কুঁড়ি সাধুর ঘাট, মহাত্মা গান্ধী ঘাট, বরদেশ্বরী ঘাট, জয়কালী ঘাট, রক্ষাকালী ঘাট, প্রেমতলা ঘাট, চর শ্রীরাম ঘাট, সাবদি ঘাট, বাসনকালী ও জগৎবন্ধু ঘাটে স্নান করা হবে।’ পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ লাঙ্গলবন্দের বিভিন্ন ঘাট পরিদর্শন করে দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘পুণ্যার্থীদের উৎসব যাতে নিরাপদ হয় সেজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ১৬শ সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে।

তিন শিফটে তারা তাদের দায়িত্ব পালন করবে। নিরাপত্তায় আমরা সব ধরনে প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। মোবাইল টিম, ওয়াচ টাওয়ার, মহিলা পুলিশ, আনসার বাহিনী নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে।’ তিনি আরও বলেন, ১৮টি স্নানঘাটসহ পুরো লাঙ্গলবন্দ সিসি ক্যামেরার আওতাভুক্ত থাকবে। ২০১৫ সালে যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছিল সে ঘটনা আর যেন না ঘটে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’


এ ক্যটাগরির আরো খবর..