মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে ইসলামাবাদে কূটনৈতিক অভ্যর্থনা অনুষ্ঠিত

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে ইসলামাবাদে কূটনৈতিক অভ্যর্থনা অনুষ্ঠিত

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে আজ বাংলাদেশ দূতাবাস, পাকিস্তান ইসলামাবাদের সেরিনা হোটেলের বলরুমে বর্ণাঢ্য কূটনৈতিক অভ্যর্থনা ও নৈশ্যভোজের আয়োজন করে। পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোঃ ইকবাল হোসেন খান ও হাইকমিশনের কর্মকর্তাগণ অতিথিদের অভ্যর্থনা জানান। অনুষ্ঠানস্থল বাংলাদেশের আর্থসামাজিক অগ্রগতি, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, পর্যটন ও কৃষ্টি তুলে ধরে ব্যানার, স্ট্যান্ডিজ, লোকজশিল্প পণ্য, ফুল ও আলোকসজ্জায় সুসজ্জিত করা হয়।

পাকিস্তান সরকারের পক্ষে জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা ও গবেষণা বিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী রানা তানভীর হুসেন প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া, খাইবার পাকতুনখোয়া প্রদেশের গভর্নর, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী, ন্যাশনাল এসেম্বলির ডেপুটি স্পিকার, সিনেটর ও জাতীয় পরিষদের সদস্যবৃন্দ, প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত/হাইকমিশনার, জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানগণ, পাকিস্তান সরকারের বেসামরিক ও সামরিক উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, প্রবাসী বাংলাদেশিগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে হাইকমিশনার মোঃ ইকবাল হোসেন খান অনুষ্ঠানে সকলকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখেন। তিনি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার সম্পর্ক জোরদারে উভয় দেশের জনগণের আশা আকাঙ্খা বাস্তবায়নের উপর আলোকপাত করেন। তিনি দক্ষিণ এশীয় দেশসমূহের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়নে সকলকে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির উপর জোর দেন। দু’দেশের মধ্যকার সরাসরি বিমান ও জাহাজ চলাচল, ব্যবসা-বাণিজ্য উন্নয়ন, শিক্ষা, পর্যটন, সংস্কৃতি, শিল্প, স্বাস্থ্য সেবা, কৃষি, জ্বালানীখাতে সহযোগিতা জোরদার করার ব্যাপারে ভবিষ্যতে সম্পর্ক উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকার সচেষ্ট আছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত বর্তমান সরকার দেশের উন্নয়ন ও দেশের স্বার্থ রক্ষায় বন্ধুপ্রতিম দেশসমূহের সাথে সম্পর্ক জোরদারে তৎপর রয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জাতিসঙ্গের ৮১-তম সাধারণ অধিবেশনের সভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন। হাইকমিশনার বাংলাদেশের প্রার্থিতার প্রতি সকলের সমর্থন চেয়েছেন।

জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা ও গবেষণা বিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী তাঁর শুভেচ্ছা বক্তব্যে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণকে অভিনন্দন জানান। তিনি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির ভূয়সী প্রশংসা করেন। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে এ সম্পর্ক আরো জোরদার করার মাধ্যমে দু’দেশের মানুষের উন্নয়ন সহযোগিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Kishori
লেখক / প্রতিবেদক

Kishori

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।