× Banner
সর্বশেষ
বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: মির্জা ফখরুল পদত্যাগের চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন: অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নতুন বঙ্গভবন প্রধান কে? সক্রিয় মৌসুমি বায়ু: দেশজুড়ে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা, বাড়তে পারে তাপমাত্রা রাজপথে ছড়ানো গুজবে কান না দেয়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলের: নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পালনে সরকার বদ্ধপরিকর দেশের বাজারে সোনার দামে বড় পতন: ভরিতে কমলো ৩৩২৪ টাকা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বার্তা ও অনশন ভঙ্গ: যন্তর-মন্তরে কাটল জট, জয়ে ফিরল সাধারণতন্ত্র জগন্নাথদেবের পুনর্যাত্রা আজ: উল্টো রথযাত্রার ধর্মীয় তাৎপর্য, ইতিহাস ও আধ্যাত্মিক বার্তা সোনম ওয়াংচুক অনশন প্রত্যাহার, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত আজ ২৪ জুলাই বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় সকাল ৯টার মধ্যে ১০ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

শিগগিরই সিভিল কোর্ট অ্যাক্ট পরিবর্তন করবে সরকার

admin
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০১৫

বিশেষে প্রতিবেদকঃ আর্থিক অধিক্ষেত্র বাড়িয়ে শিগগিরই সিভিল কোর্ট অ্যাক্ট পরিবর্তন করবে সরকার, জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীতে বিচার প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটে আয়োজিত এক আলোচনায় এ কথা বলেন তিনি। তিনি আরও বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির মামলার ক্ষেত্রে বিচার প্রার্থীদের সুযোগ সুবিধা বাড়াতে বিচারকের সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের অভিজ্ঞতা বিদেশিরাও কাজে লাগাতে চায় বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

মন্ত্রী বলেন, “ইতোমধ্যে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা এমন মানে পৌঁছেছে যে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও এর প্রশংসা হচ্ছে। যার স্বীকৃতিও দেশে-বিদেশে মিলছে।” তিনি বলেন, “আমাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের অভিজ্ঞতাও বিভিন্ন দেশ কাজে লাগাতে চায়।” নির্বাহী বিভাগের মত বিচার বিভাগেও ‘ডিজিটালাইজেশন’ এর সুযোগ কাজে লাগানো চেষ্টা চলছে বলে জানান আইনমন্ত্রী।

জেলা ও দায়রা জজ এবং সমপর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের জন্য আট দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী জানান, বিচারকদের ওপর বিপুল সংখ্যক মামলার চাপ থাকার বিষয়ে সরকার অবগত। “এই জন্য আমরা কিছু পুরনো আইন সংশোধন করছি, বিচারকের সংখ্যা বৃদ্ধি করছি। অবকাঠামো উন্নয়নও করছি। “যেখানে যেখানে ভবন নির্মাণে অনুমোদন ছিল, সেখানে আসবাবপত্রের কথা উল্লেখ ছিল না। আমি আলাদা অনুমোদন নিয়ে সব জায়গায়ই আসবাবপত্রের ব্যবস্থা করেছি।” কর্মশালায় অংশ নেওয়া বিচারকদের উদ্দেশে আনিসুল বলেন, “আপনারা জেলা পর্যায়ে বিচার ব্যবস্থার নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আমরা চাই, মানসম্মত বিচার।”

বিচার প্রশাসন ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক বিচারপতি মূসা খালেদের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আইন সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক বক্তব্য দেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..