× Banner
সর্বশেষ
বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: মির্জা ফখরুল পদত্যাগের চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন: অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নতুন বঙ্গভবন প্রধান কে? সক্রিয় মৌসুমি বায়ু: দেশজুড়ে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা, বাড়তে পারে তাপমাত্রা রাজপথে ছড়ানো গুজবে কান না দেয়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলের: নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পালনে সরকার বদ্ধপরিকর দেশের বাজারে সোনার দামে বড় পতন: ভরিতে কমলো ৩৩২৪ টাকা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বার্তা ও অনশন ভঙ্গ: যন্তর-মন্তরে কাটল জট, জয়ে ফিরল সাধারণতন্ত্র জগন্নাথদেবের পুনর্যাত্রা আজ: উল্টো রথযাত্রার ধর্মীয় তাৎপর্য, ইতিহাস ও আধ্যাত্মিক বার্তা সোনম ওয়াংচুক অনশন প্রত্যাহার, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত আজ ২৪ জুলাই বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় সকাল ৯টার মধ্যে ১০ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

শরীয়তপুরে নিন্মাঞ্চল প্লাবিত-নদী ভাঙনে গৃহহীন মানুষ

admin
হালনাগাদ: শনিবার, ৩০ জুলাই, ২০১৬

সৈকত দত্ত, শরীয়তপুর থেকেঃ উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি ও বৃষ্টির কারণে পদ্মা ও কীর্তিনাশা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় শরীয়তপুরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

শরীয়তপুরের সুরেশ্বর পয়েন্টে পদ্মার পানি বিপদসীমার ৩০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীর স্রোত

 বৃদ্ধি পাওয়ায় রয়েছে নদী ভাঙনও। ভাঙন রোধে কাজ করার আশ্বাস দিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড।

জেলার শরীয়তপুর সদর, নড়িয়া, জাজিরা ও ভেদরগঞ্জ উপজেলার ১৮টি ইউনিয়নের বেশিরভাগ গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। প্লাবিত এইসব ইউনিয়নগুলোর বেশির ভাগ রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বেশ কিছু স্থানীয় হাটবাজারে পানি ঢুকে পড়েছে। পানি থাকায় চরম ভোগান্তিতে রয়েছে কয়েক হাজার মানুষ।

নিম্নাঞ্চলের চারদিকে পানি আর পানি, স্যানিটেশন ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে বেশির ভাগ গ্রামে। ফলে দূষিত পানিতে পানিবাহিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। কাজ না থাকায় নিম্ন আয়ের মানুষেরা অভাব অনটনের মধ্যে সময় পাড় করছেন। কেউ কেউ কাজের সন্ধানে দূরে ছুটছেন। ত্রাণ সাহায্য চেয়েছেন অনেকেই।

বন্যায় প্লাবিত এলাকার মানুষের সাথে আলাপ করে জানা যায়, নদীর পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে ¯্রােত বৃদ্ধি পাওয়ায় জাজিরা উপজেলার পালেরচর, কুন্ডেরচর, বড়কান্দি, নড়িয়া উপজেলার ঘড়িষার, কেদারপুর, চরআত্রা, নওপাড়া, ভেদরগঞ্জ উপজেলার কাচিকাটা, চরভাগা, উত্তর তারাবুনিয়া ইউনিয়নে পদ্মার তীর ভাঙছে। এই ভাঙনে বিলীন হচ্ছে একের পর এক সরকারি-বেসরকারি স্থাপনাসহ স্থানীয়দের বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

নদী ভাঙ্গন এলাকার দানেশ মিয়া, হাকিম কোতোয়াল, বিল্লাল মাঝি সহ অনেকে জানায়, প্রতি বছরই প্রায় নদী ভাঙ্গে। এখন বসতভিটা বলতে কিছুই নাই। এতদিন ভাড়া জমিতে ঘর করে থাকতাম এবার তাও ভেঙ্গে গেল। এখন আমাদের শেষ ভরসা আর রইল না। এখন সরকার আমাদের দিকে মুখ তুলে তাকালে পরিবার নিয়ে বাঁচতে পারি।

শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এ কে এম এনামূল হক বলেন, বর্ষার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার নিন্মাঞ্চর প্লাবিত হয়েছে। পদ্মাতীরবর্তী এলাকায় ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে। ভাঙ্গন রোধে ব্যবস্থা নেওয়া নেয়া হবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..