× Banner
সর্বশেষ
পশ্চিমবঙ্গে শব্দদূষণ রোধে লাউডস্পিকার অপসারণ, আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নের দাবি সরকারের আজ ৭ আগস্ট বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২১ শ্রাবণ শুক্রবারের দিনপঞ্জি ও ইতিহাসের এইদিনে শ্যামনগরে প্রতিবন্ধী,দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিদের মাঝে দুই লক্ষাধিক টাকার চেক বিতরণ শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম শাহাদৎবার্ষিকী অনুষ্ঠিত তনু হত্যা মামলায় সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুরের জামিন বাতিল, আত্মসমর্পণের নির্দেশ লিবিয়ায় মাফিয়ার নির্যাতনে মাদারীপুরের যুবকের মৃত্যু পাইকগাছায় ছাত্র ও দরিদ্র মানুষের মাঝে সাইকেল, সেলাই মেশিন ও ভ্যান বিতরণ মার্কিন প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহর কমান্ডারের বাংলাদেশ সফর শেষ

লেডি গাগা ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন!

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৫

বিনোদন ডেস্ক: অভিনেত্রী-গায়িকা লেডি গাগা মাত্র ১৯ বছর বয়সে ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন। এক সাক্ষাত্কারে এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করেন ‘বর্ন দিস ওয়ের’গায়িকা লেডি গাগা। ধর্ষণের ঘটনা তাঁকে মানসিক ভাবে কী ভাবে বদলে দিয়েছে তাও জানান তিনি।

লেডি গাগার দাবি, নিগ্রহের পর বহু বছর কাউকে বলতে পারেননি। অন্তত বছর সাতেক পর প্রথম মুখ খোলেন তিনি।

বছর সাতেক ধরে একটু একটু করে শক্তি সঞ্চয় করে প্রথম এ বিষয় মুখ খুলেন গাগা। তবে কাকে ধর্ষণের কথা প্রথম বলেন তা অবশ্য বলেননি লেডি গাগা। যন্ত্রণার হাত থেকে মুক্তি পাওয়া একেবারেই সহজ ছিল না বলে জানাচ্ছেন বিশিষ্ট এই গায়িকা। ধর্ষণের ঘটনা তাঁর মনের উপর চুড়ান্ত ছাপ ফেলে। ‘জানতাম না কী ভাবে এই ঘটনা ভুলে থাকতে হয়। আবার এই ঘটনাকে স্বাভাবিক ভাবে মেনেও নিতে পারতাম না। আমি তো এটাও জানতাম না যে এই ঘটনার জন্য নিজেকে দায়ী করা ঠিক নয়।’—বলেন লেডি গাগা।

বছর ২৯ গায়িকা বলেন, ধর্ষণ একটা পাপ। সেই পাপের জন্য তিনি নিজেই দায়ী, এমন একটা বদ্ধমূল ধারণা গেঁথে বসে তাঁর মনে। তিনি যেমন অত্যাধুনিক পোশাক পরেন তার জন্যই এই ঘটনা ঘটে। তাই নিজেকে দায়ী করতে শুরু করেন তিনি। কিন্তু শারীরিক এবং মানসিক যন্ত্রণা তাঁকে পুরোটা কাবু করতে পারেনি। যন্ত্রণাকে তিনি নিজের শক্তিতে বদলে ফেলেন।

শুধু নিজেকে বদলে ফেলাই নয়, তাঁর মতো আরও অনেকে যাঁরা নানা সময় শারীরিক এবং মানসিক অত্যাচারের শিকার হয়েছেন তাঁদেরও মুক্তির পথ দেখিয়েছেন লেডি গাগা। তিনি বলেন, ‘অনেক সময় দেখেছি অনেকে নিজের অত্যাচারের কথা নিজের মনের মধ্যেই রেখে দেন। গুমড়ে গুমড়ে মরতে থাকেন।’ তাঁর মতে এটা ঠিক নয়। পচা ফলের মতো কোন যন্ত্রণা নিজের মধ্যে না রেখে ঝেড়ে ফেলে দিয়ে মাথা উঁচু করে বাঁচা উচিত।’

তবে কোথায়, কথন ধর্ষিত হয়েছিলেন তা অবশ্য খোলসা করে কিছু বলেননি লেডি গাগা।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..