চাল, ডাল, তেল, আটাসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য ও গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানির লাগামহীন মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে মানববন্ধন

চাল, ডাল, তেল, আটাসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য ও গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানির লাগামহীন মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে মানববন্ধন

২৪ মার্চ ২০২২ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে চাল, ডাল, তেল, আটাসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য ও গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানির লাগামহীন মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে সাবেক ধর্ম ও পানিসম্পদ মন্ত্রী এবং অনিবন্ধিত রাজনৈক দল সমন্বয় পরিষদ ও বি এল ডি পি’র চেয়ারম্যান এম নাজিম উদ্দিন আল আজাদের সভাপতিত্বে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত মানবন্ধন কর্মসূচিতে, সভাপতির ব্যক্তবে সাবেক ধর্ম ও পানিসম্পদ মন্ত্রী  এবং অনিবন্ধিত রাজনৈতিক দল সমন্বয় পরিয়দ ও বি এল ডি পির  চেয়ারম্যান এম নাজিম উদ্দিন আল আজাদ বলেন, লাগামহীন দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে প্রান্তিক মানুষসহ সাধারন মানুষ আজ দিশেহারা। এমন অবস্থা চলতে থাকলে দেশে অচীরেই আরো একবার দুর্ভিক্ষের কবলে পড়তে পারে।

এই অবস্থা থেকে পরিত্রান পেতে বাজার ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট মহলকে এখনি উদ্যোগী হতে হবে । সামনে রমজান মাস। তাই এ বিষয়ে আরো সতর্ক হতে সরকারের প্রতি আহবান জানাচ্ছি।
কর্মসূচিতে বক্তাগণ বলেন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যসহ গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানির লাগামহীন মূল্য বৃদ্ধির ফলে দেশে নিরব দুর্ভিক্ষ চলছে। সরকারের কর্তা-ব্যক্তিরা দায়সারা বক্তব্য দিয়ে দ্রব্যমূল্য বৃদ্দির সাথে জড়িত সিন্ডিকেটকে উৎসাহিত করছে। যার ফলে উর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণের কোন কার্যকর ব্যবস্থা লক্ষ করা যাচ্ছে না। অদ্যাবদি এই সিন্ডিকেটকারীদের কাউকে আইনের আওতায় আনা হয়নি। দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি তার উপর গ্যাস-বিদ্যুৎ, পানির বিল বার বার বৃদ্ধি দেশ ও দেশের বাইরে বিরুপ প্রক্রিয়া সৃষ্টি করছে। জনজীবন বিপর্যয়ের পথে।

সরকারের টিসিবি’র যে কার্যক্রম তাও জনগণের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। সরকার প্রধান ১ কোটি জনগোষ্ঠীকে টিসিবি পণ্য সংগ্রহের জন্য কার্ড কার্যক্রম পদ্ধতি চালু করতে যাচ্ছে তা বুমেরাং হবে। দেশের ১৮ কোটি জনগণ যার মধ্যে ১৭ কোটি জনগোষ্ঠী দ্রব্যমূল্যের এই উর্ধ্বগতির কারণে অনাহারে-অর্ধাহারে জীবন অতিবাহিত করছে। সরকারকে দ্রুত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীকে পদত্যাগে বাধ্য করতে হবে। অন্যথায় দেশে মানবিক বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সমন্বয় পরিষদের কো-চেয়ারম্যানগণ, যথাক্রমে, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মহাসচিব কাজী আবুল খায়ের, ভাসানী অনুসারী পরিষদের মহাসচিব বাবলু, ন্যাপ মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভূইয়া, গণআজাদী লীগের মহাসচিব আতাউল্লাহ খান, বাংলাদেশ জাতীয় লীগের চেয়ারম্যান ড. শাহরিয়ার ইফতেখার ফুয়াদ,দেশপ্রেমিক নাগরিক পার্টির চেয়ারম্যান আহসান উল্লাহ শামীম, বাংলাদেশ ফেডারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান ড. এ আর খান, বাংলাদেশ মুসলিম সমাজের চেয়ারম্যান মোঃ মাসুদ হোসেন, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির চেয়ারম্যান বাজলুর রহমান আমিনী,

বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির চেয়ারম্যান মাওলানা উবায়দুল হক, বাংলাদেশ স্বাধীন পার্টির চেয়ারম্যান মির্জা আজম, বাংলাদেশ স্বাধীনতা পার্টির চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান মিজু, বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টির চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মজুমদার, বিডিপি’র চেয়ারম্যান শামসুল আলম সুরমা, বাংলাদেশ কনজারভেটিব পার্টির চেয়ারম্যান এ এম আনিসুর রহমান দেশ, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান শেখ মোস্তাফিজুর রহমান, এনডিএম’র সাংগঠনিক সম্পাদক লায়ন নুরুজ্জামান হীরা বাংলাদেশ তৃণমুল বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রোকসানা আমিন সুরমা, নাগরিক ভাবনা পার্টির চেয়ারম্যান মোঃ হাবিবুর রহমান, বাকশালের মহাসচিব কাজী মুহাম্মদ জহিরুল কাইয়ুম।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
ACP
সংবাদ প্রতিনিধি

ACP

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।