× Banner
সর্বশেষ
পুরুষের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছেন আদিবাসী নারীরা, মজুরিতে বৈষম্য ঢাকার চক্রাকার নৌপথে চালু হবে ওয়াটার বাস – নৌ পরিবহনমন্ত্রী ফ্যাসিস্টদের ফটোকপি বিএনপির মধ্যে দেখতে পাচ্ছি – জামায়াত আমির আগস্টে নিষিদ্ধ ঘোষিত গোষ্ঠীর তৎপরতা; সতর্ক থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলাদেশ-মিয়ানমার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও যোগাযোগ জোরদারে বাণিজ্যমন্ত্রীর বৈঠক জনবান্ধব ও পেশাদার পুলিশ বাহিনী গড়ার অঙ্গীকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ডেভিড ইমনকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর ২০ বছর ধরে মৃত শিক্ষকের বেতন উত্তোলন, অভিযোগ জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে ‘জিনের নির্দেশে’ দাফনের ১২ ঘণ্টা পর নারীর মরদেহ উত্তোলন বেনাপোল পৌর ভোটে ইমদাদুল হক ইমদাদের ব্যাপক গণসংযোগ

রাস্তা অবরোধ করে কুপিয়ে জখম উত্তম বাড়ৈ, মোহন চাঁদ মজুমদার, সিদ্ধার্থ বাড়ৈ কে

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৯

নিজস্ব সংবাদদাতা : বাংলাদেশে খুন, জখম, রাহাজানি, ধর্ষণ, ধর্ষণ করে হত্যা, লুটপাট করেও অপরাধীরা উপযুক্ত শাস্তি না পাওয়ায় বার বার উত্তম কুমার বাড়ৈ, মোহন চাঁদ মজুমদার, সিদ্ধার্থ বাড়ৈ দের কুপিয়ে গুরুতর জখম ও হত্যা করা হয়।

আজ মঙ্গলবার বিকেল পৌনে ৫ টার দিকে কোটালীপাড়া উপজেলার কান্দি ইউনিয়নের মাচারতারা এলাকায় তেমনটাই  ঘটলো। গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায়  ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৩ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা।

কিছু বুঝে ওঠার আগেই দুর্বৃত্তরা এসে এলোপাথাড়ি কোপানো শুরু করে । তাতে আহতরা হলেন কান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উত্তম কুমার বাড়ৈ (৪৫), ওই ইউনিয়নের সচিব মোহন চাঁদ মজুমদার ও ৫ নং ওয়ার্ডের মেম্বর সিদ্ধার্থ বাড়ৈ (৪২)।

ঘটনার বিবরণে তারা বলেন, উপজেলার কান্দি ইউনিয়নের নয়াকান্দি গ্রামে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ দেখে ধারাবাশাইল ফেরার পথে মাচারতারা নামকস্থানে এসে পৌঁছালে কয়েকজন সন্ত্রাসী তাদের গতিরোধ করে মোটরসাইকেল থেকে নামিয়ে নেয়। কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা পেটানো শুরু করে তারপর কুপিয়ে গুরতর আহত করে রাস্তায় ফেলে দিয়ে চলে যায়।

তাদের অসাড় নিথর দেহ স্থানীয়রা উদ্ধার করে কোটালীপাড়া উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে আসে। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন।

এ ঘটনার তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়ে স্থানীয়রা বলেন্‌ যদি জনপ্রতিনিধির নিরাপত্তা না থাকে তাহলে আমাদের নিরাপত্তা কোথায়? শেখ হাসিনার এলাকায় যদি দিন দুপুরে এই অবস্থা হয় তাহলে বাংলাদেশের অন্য অঞ্চলে সংখ্যালঘুদের কি অবস্থা ? আমরা কোথায় বাস করছি যেখানে সাধারন মানুষতো দূর সরকারী লোকেরাও নিরাপত্তাহীন।

তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন হামলাকারীরা যেই হোক না কেন তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে বিচারের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। আমাদের সাথে যদি দিনের পর দিন এমন হতে থাকে আর তার যদি সুষ্ঠ বিচার না হয় তাহলে আমাদের কি করা উচিত?


এ ক্যটাগরির আরো খবর..