× Banner
সর্বশেষ
শ্যামনগরে প্রতিবন্ধী,দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিদের মাঝে দুই লক্ষাধিক টাকার চেক বিতরণ শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম শাহাদৎবার্ষিকী অনুষ্ঠিত তনু হত্যা মামলায় সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুরের জামিন বাতিল, আত্মসমর্পণের নির্দেশ লিবিয়ায় মাফিয়ার নির্যাতনে মাদারীপুরের যুবকের মৃত্যু পাইকগাছায় ছাত্র ও দরিদ্র মানুষের মাঝে সাইকেল, সেলাই মেশিন ও ভ্যান বিতরণ মার্কিন প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহর কমান্ডারের বাংলাদেশ সফর শেষ ভারতীয় হাইক‌মিশনা‌রের স‌ঙ্গে আইএবিডির প্রতি‌নি‌ধিদ‌লের সাক্ষাৎ গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের জবাব চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি ১১ দলের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কা‌ছে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির পরিচয়পত্র পেশ

যশোরে নৈশপ্রহরীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার নিয়ে নানা বিতর্ক

admin
হালনাগাদ: শনিবার, ২১ মে, ২০১৬

স্টাফ রিপোর্টার: যশোরে এক নৈশপ্রহরীর আত্মহত্যা নিয়ে নানা বির্তকে সৃষ্টি হয়েছে। স্কুলের ভেতর থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হলেও সত্যিই আত্মহত্যা কিনা তা নিয়ে নানা প্রশ্নে সৃষ্টি হয়েছে। ওই নৈশ্যপ্রহরীর লাশ ময়নাদন্তের পর সমাহিত না করে চিতায় দাহ্য করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে একটি মহল। পরে চাপে পড়ে সমাহিত করা হয়। অভিযোগ রয়েছে প্রধান শিক্ষকের সাথে সম্পর্কের অবনতির কারনে ওই নৈশপ্রহরীকে হত্যা করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল দশটার দিকে যশোর সদর উপজেলার বাজুয়াডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরী সাগর দত্তের (৩০) গলায় ফাঁস দেওয়া লাশ উদ্ধার করা হয়। স্কুলটির বাইরে দোতলার সিঁড়ির রেলিংয়ের সঙ্গে ঝোলানো অবস্থায় লাশটি দেখতে পান স্থানীয়রা। তারা পুলিশকে খবর দিলে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে আসে। ঘটনার পর থেকে স্কুলের প্রধান শিক্ষক মাসুদুর রহমানের ভূমিকা রহস্যজনক। সাগর দত্তের সহকর্মীরা চাননি লাশটি চিতায় দাহ্য করা হোক। এ সময় প্রধান শিক্ষক মাসুদুর রহমান লাশটি দাহ্য করার জন্য পরিবারকে চাপ দেয়। এত বিক্ষেভে ফেটে পড়ে অন্যান্য নৈশ্য প্রহরীরা। নৈশ্য প্রহরীদের অভিযোগ লাশটির হত্যার আলামত নষ্ঠ করতে দাহ্য করতে ব্যস্ত একটি মহল। এ মহলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক মাসুদুর রহমান। লাশ দাহ্য করতে না দেয়ার খবরে ঘটনা স্থলে ছুটে যান স্কুলের যান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। পরে অন্যান্য নৈশপ্রহরীদের দাবীর পেক্ষিতে লাশটি সমাহিত করার নিদেশ দেন।

একটি সুত্রের দাবি প্রধান শিক্ষকের সাথে সাগর দত্তের সম্পর্ক ভালো ছিল না।  ঘটনার পর থেকে প্রধান শিক্ষকের আচরণ সবার কাছে রহস্যময় মনে হচ্ছে। এ ব্যাপারে দাপ্তরিক কাম নৈশ প্রহরী  এ্যাসোসিয়েশনের যশোর জেলা শাখার সাধারন আব্দুল আলীম বলেন, হত্যার পরই সাগরকে হত্যা করা হয়েছে। আত্মহত্যার কোন লক্ষন দেখা যায়নি। ঘটনার পর লাশ সমাহিত না করে একটি পক্ষ দাহ্য করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। পরে সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃদ্ধের চাপের মুখে দাহ্য করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক মাসুদুর রহমান জানান, দপ্তরি সাগরের গলায় রশি দেওয়া লাশ ঝুলছে বলে খবর পেয়ে সকাল দশটার দিকে তিনি স্কুলে যান। সেখানে গিয়ে তিনি পুলিশে খবর দেন। তবে হত্যার ব্যাপারে তাকে সন্দেহ করার ব্যাপারে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..