× Banner
সর্বশেষ
ধর্মমন্ত্রীর আশু আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের বিশেষ দোয়া দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি পাওয়া স্বচ্ছ নিয়োগের প্রমাণ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৫-২৬ জুলাই ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিআইইআর সামিট ২০২৬ বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন, পরিকল্পিত আধুনিক নগর গঠনের উদ্যোগ বাজেট বাস্তবায়নেই সাফল্য, কক্সবাজারকে আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরী গড়ার পরিকল্পনা: অর্থমন্ত্রী FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল

মাদারীপুরের মস্তফাপুর উচ্চ বিদ্যালয় জলাবদ্ধতা, চরম ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

admin
হালনাগাদ: শুক্রবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৬

মেহেদী হাসান সোহাগ-মাদারীপুরঃ জেলার সদর উপজেলার মস্তফাপুর বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ে বহুদিন যাবত জলাবদ্ধতা, তেমন কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না কতৃপক্ষ, চরম ভোগান্তিতে রয়েছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

মস্তফাপুর বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে ১হাজার ৮৫২জন শিক্ষার্থী, নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক ছাড়াও রয়েছে অস্থায়ী শিক্ষক। তবে নেই স্কুলে পানি নিস্কাশনের কোন ব্যবস্থা, তাই বিদ্যালয়ের মাঠে জমে আছে দুর্গন্ধজনিত পানি। সেই সাথে একটু বেশী বৃষ্টি হলেই বিদ্যালয়ের রুমে হাটু পানি হয়ে যায়। এতে শিক্ষার্থীদের নানা রকম রোগ হচ্ছে। অনেকে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকছে, উপস্থিত শিক্ষার্থীরা ময়লা পানির নানা রকম পোকার ভয়ে ক্লাস করতে চাচ্ছে না। বর্ষার শুরু থেকেই বিদ্যালয়ের মাঠে পানি জমে দুর্গন্ধ ছাড়াচ্ছে। শিক্ষার্থীদের একটাই দাবি এই জলাবদ্ধতা ও দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি। সঠিক ও সুন্দরভাবে পড়াশুনা করতে পারা।

নিউজ করতে আসা সাংবাদিকরা ঘটনাস্থল সরে জমিন ঘুরে দেখতে পান, বিদ্যালয়ে যে পানি জমে আছে তাতে দুর্গন্ধ হয়ে গেছে এবং ময়লা পানিতে চুলকায়। জরুরী ভাবে পানি নিস্কাশন না করলে, যেকোন সময় শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। এবং বিভিন্ন পোকা-মাকর দেখে ভয় পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা।এবং এই দুর্ভোগে কথা বিভিন্ন শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন।

বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) জানান, কোন শিক্ষকদের কথার মূল্যায়ন প্রধান শিক্ষক করে না। সে তার মন মত স্কুল পরিচালনা করে। আর যদি তা না হয়, তাহলে আজ প্রায় দুই মাস বিদ্যালয়ের মাঠে দুর্গন্ধ ও ময়লা পোকার পানি জমে আছে। কেন সেটা নিস্কাশনের ব্যবস্থা করে না। এই ব্যপারে কমিটির লোকজন কোন ভ্ররুক্ষেপ করে না। ছোট একটা মটর লাগিয়েছে। যা দিয়ে একটি ছোট একটি পানির ট্যাকিং পূর্ন করতে একঘন্টা লাগে। আর তা দিয়ে বিদ্যালয়ে মাঠের অফুরান্ত পানি কিভাবে কমাবে। এছাড়াও স্কুলে যে মর্নিং স্কুল করবে তাও করতে পারবে না। কারন মর্নিংয়ে হয় ছোট বাচ্চাদের কিন্ডারগার্ডেনের ক্লাস সকাল ১০টা পযন্ত। যেটা স্কুলে করা ঠিক না।

বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক মো. বোরহান খান বলেন বিদ্যালয়ে যখনী জলাবদ্ধতা হয়েছে, মেনেজিং কমিটিকে ব্যপারটা জানানো হয়েছে। আর সাথে সাথেই পানি নিস্কাশনের জন্য মাঠে মটর লাগিয়ে পানি সরাচ্ছি, তবে বড় সমস্যা স্কুলে চারপাশে পানি নামার মত কোন ড্রেন বা খাল নাই। বৃষ্টির কারনে সাময়িক ভাবে শিক্ষার্থীদের একটু সমস্যা হচ্ছে। তবে শিক্ষকদের সাথে আলোচনা করে বড় মেশিন লাগানো হয়েছে। যতদিন পানি কমবে না ততদিনই মেশিন লাগানো থাকবে।

মস্তফাপুর বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের মেনেজিং কমিটির সভাপতি হাজী আ.রব খান ফোনে জানান আমি দীর্ঘদিন একটা সমস্যা থাকার কারনে স্কুলের খোজখবর নিতে পারলেও তেমন কোন ব্যবস্থা নিতে পারি নাই। তবে এই কাজটা স্কুলের প্রধান শিক্ষক করতে পারতো। সে কেন করলো না। তার মধ্যে গাফলতি রয়েছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..