× Banner
সর্বশেষ
পুরুষের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছেন আদিবাসী নারীরা, মজুরিতে বৈষম্য ঢাকার চক্রাকার নৌপথে চালু হবে ওয়াটার বাস – নৌ পরিবহনমন্ত্রী ফ্যাসিস্টদের ফটোকপি বিএনপির মধ্যে দেখতে পাচ্ছি – জামায়াত আমির আগস্টে নিষিদ্ধ ঘোষিত গোষ্ঠীর তৎপরতা; সতর্ক থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলাদেশ-মিয়ানমার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও যোগাযোগ জোরদারে বাণিজ্যমন্ত্রীর বৈঠক জনবান্ধব ও পেশাদার পুলিশ বাহিনী গড়ার অঙ্গীকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ডেভিড ইমনকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর ২০ বছর ধরে মৃত শিক্ষকের বেতন উত্তোলন, অভিযোগ জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে ‘জিনের নির্দেশে’ দাফনের ১২ ঘণ্টা পর নারীর মরদেহ উত্তোলন বেনাপোল পৌর ভোটে ইমদাদুল হক ইমদাদের ব্যাপক গণসংযোগ

ডেস্ক

মসজিদ নির্মাণ ঘিরে জাপানে উত্তেজনা, রাস্তায় বিক্ষোভ

Kishori
হালনাগাদ: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬
মসজিদ নির্মাণ ঘিরে জাপানে উত্তেজনা

ফুজিসাওয়া শহরে মসজিদ নির্মাণকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি শতাধিক বাসিন্দা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেন, যেখানে “জাপান শুধু জাপানিদের জন্য” এবং “মসজিদ বা মুসলিম কবরস্থান চাই না”—এ ধরনের স্লোগান সম্বলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।

বিক্ষোভকারীরা দাবি করছেন, জাপানের ঐতিহ্যগত শিন্তো ধর্ম ও বৌদ্ধ ধর্ম-ভিত্তিক সংস্কৃতির সঙ্গে ইসলামের কিছু অনুশীলনের সাংস্কৃতিক পার্থক্য রয়েছে। তাদের অভিযোগ, প্রস্তাবিত মসজিদের অবকাঠামো নিকটবর্তী একটি শিন্তো মন্দিরের তুলনায় বড়, এবং লাউডস্পিকারে আজানের শব্দ স্থানীয় পরিবেশের শান্তি বিঘ্নিত করতে পারে।

এছাড়া, অতিরিক্ত মানুষের যাতায়াতের কারণে যানজট সৃষ্টি এবং এলাকার স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু ভিডিওতে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে মুসলিম সম্প্রদায়ের সদস্যদের বাকবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তির দৃশ্য দেখা গেছে, যেখানে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হস্তক্ষেপ করে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফুকুওকা-সহ বিভিন্ন এলাকায় ডানপন্থী গোষ্ঠীগুলোর প্রতিবাদ কর্মসূচির খবর পাওয়া গেছে। কিছু ক্ষেত্রে মুসলিমবিরোধী স্লোগানও শোনা গেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে।

তবে পরিসংখ্যান বলছে, জাপান-এ বর্তমানে দুই হাজারের বেশি মসজিদ রয়েছে এবং প্রায় আড়াই লাখ মুসলিম বসবাস করেন। রাজধানী টোকিও ও ওসাকা-এ ঈদের সময় বড় জমায়েতের ঘটনাও নিয়মিত দেখা যায়।

জাপানে সাধারণত মৃতদেহ দাহ করার প্রচলন থাকলেও ইসলামে কবর দেওয়ার প্রথা রয়েছে—এই পার্থক্য নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কিছু স্থানীয় বাসিন্দা আশঙ্কা করছেন, কবরস্থানের জন্য জমির ব্যবহার এবং পরিবেশগত প্রভাব ভবিষ্যতে সমস্যা তৈরি করতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা জাপানে অভিবাসন, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং স্থানীয় সংস্কৃতি সংরক্ষণের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার একটি জটিল প্রশ্ন সামনে এনে দিয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা এবং পারস্পরিক সংলাপের ওপরই এখন জোর দেওয়া হচ্ছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..