বেনাপোলে স্বাধীনতার ৪৫ বছরে যা হয়নি মাত্র ৬ বছরে তার কয়েক গুন উন্নতি

মো: আনিছুর রহমানঃ এশিয়া মহাদেশের সকল দেশের সড়কের জেলা উপজেলা এক প্রদেশ থেকে অন্য প্রদেশে যাওয়া যে সকল প্রবেশদ্বার তৈরী হয়েছে তার থেকে সর্বোবৃহৎ এবং সৌন্দর্য বর্ধিত প্রবেশদ্বার তৈরী হচ্ছে যশোর জেলার সীমান্ত এলাকা বেনাপোল পৌরসভার প্রবেশদ্বার আমড়াখালী নামক স্থানে। যার উন্নয়নে এবং এ প্রবেশ গেট সহ বেনাপোল শহর আলোকিত হয়েছে তিনি একজন তুরুন নেতা সমাজসেবী, দেশশ্রেষ্ট জননন্দিত বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন।

মানুষ যুগ যুগ ধরে প্রাকৃতিক জ্যোস্না রাত দেখেছে জ্যোস্না রাতকে নিয়ে লেখক কবিরা অনেক কিছু লিখে গেছেন। হাওড়ে, বাওড়ে, বনে জঙ্গলে পাহাড় পর্বতে নদীনালা খালবিল সব জায়গার প্রাকৃতিক জ্যোস্না চোখে পড়েছে মানুষ তা দেখে মহিত হয়েছে। এবার বেনাপোল পৌর মেয়র ১২ মাস এনেছে বন্দরনগরীতে কৃত্রিম জ্যোস্না। সারারাত বেনাপোল লোকাল বাসষ্ট্যান্ড থেকে ভারত সংলগ্ন বেনাপোল চেকপোষ্ট পর্যান্ত প্রাকৃতিক ভাবে রাতের আকাশে এলইডি লাইট লাগিয়ে কৃত্রিম জ্যোস্না দিয়ে নগরীকে সৌন্দর্য বর্ধিত করেছে। বেনাপোলের রাতের আকাশ প্রকৃতির জ্যোস্নার মত সারারাত নয়নাভিরাম আলো ছড়াচ্ছে। মানুষ মুগ্ধ হয়ে দেখছে এ আলোয় আলোকিত হয়ে।

স্বাধীনতার ৪৫ বছরে বেনাপোল শার্শায় বাঘা বাঘা নেতারা নের্তৃত্ব দিয়েছে। কিন্তু দক্ষিন পশ্চিম সীমান্তের এ নগরী ছিল অবহেলিত। এ অঞ্চলের মানুষ ছিল অবহেলিত । এখানে রাস্তা ঘাট এর অবস্থা ছিল অত্যান্ত খারাপ। ভাংগা চোরা রাস্তা দিয়ে কাদাপানিতে শহরে যেতে এখানকার মানুষের অনেক কষ্ট হয়েছে। তরুন নেতা আশরাফুল আলম লিটন মাত্র ৬ বছরে বেনাপোলকে পরিবর্তন করেছে। সে শুধু বেনাপোল পৌরসভার কথা ভাবেনি সে এলকার অন্যান্য ইউনয়ন এর রাস্তাঘাট নিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ের দ্বারে দ্বারে ঘুরে উন্নতি করেছে। তার ৬ বছরের ফিরিস্তি তুলে ধরলে সময় ক্ষেপন হবে অনেক। আমরা বিগত বছরকে ফেলে রেখে এসেছি দেখি একটু পিছনে ফিরে বেনাপোলের এ কৃতি সন্তান গত এক বছরে কি করেছে।

আমরা সরেজমিনে খোজ নিয়ে দেখেছি, জেনেছি ২০১৬ সনে মেয়র আশরাফুল আলম লিটন বেনাপোলের উন্নয়নের জন্য ব্যবপক ভুমিকা রেখেছে। গত বছর বেনাপোলের বয়স্ক এবং দারিদ্র মানুষের কথা মাথায় রেখে বেনাপোল পৌরসভায় একটি স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র খুলেছে একটি কম্পিউটার প্রশিক্ষন কেন্দ্র খুলেছে। যেখানে ৬০ বছরের মানুষ এবং তার উর্দ্ধের মানুষ পৌরসভা থেকে ফ্রি চিকিৎসা সেবা পেয়ে থাকে। এ ছাড়া অল্প খরছে দ্রুত বেনাপোল থেকে অন্য জায়গা যাওয়ার জন্য একটি এম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করেছেন। বিনা মুল্যে চিকিৎসা হতে পেরে এখানকার মানুষ অনেক উপকৃত হচ্ছে।

২০১৬ সনের শুরুতে বেনাপোল পৌর এলাকার কাচা ভাঙ্গা রাস্তার মেরামত হয়েছে। প্রতিটি মহল্লার রাস্তা পাকা হয়েছে। পৌর এলাকায় ড্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। দক্ষিন এশিয়ার সবচেয়ে সৌন্দর্য বর্ধিত এবং বড় গেট তৈরীর কাজে ও প্রায় সমাপ্তের পথে। এ গেট প্রায় সাড়ে সাত কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত হচ্ছে । যেখানে থাকবে কম্পিউটার সিষ্টেমে টোল আদায়, অত্যাধুনিক সিসি ক্যামেরা ,ফুডপার্ক।

বেনাপোল শহরকে যানজট মুক্ত করতে বেনাপোল শহরে প্রবেশের আগে দিঘিরপাড় এলাকায় তৈরী হচ্ছে অত্যাধুনিক ট্রাক টার্মিনাল। অল্প সময়ের ভিতর এ কাজ শেষ হবে বলে এলাকার মানুষ আসা করেন। তার ভাল কাজের ভিতর এবং তার জীবদ্বশায় সবচেয়ে ভালো কাজের ভিতর বলে মনে করেন বেনাপোল পৌরসভার পাশে একটি আধুনিক মানের জামে মসজিদ নির্মান। এ মসজিদে সব মিলে ১৮ থেকে ১৯ শত লোক একসাথে নামাজ আদায় করতে পারবে।

তার ২০১৬ সালের উন্নয়নের কিছু অংশ তুলে ধরা হয়েছে। এ ছাড়া তার সবচেয়ে বড় অবদান বেনাপোল এলাকার গরীব মেধাবি ছেলে মেয়েদের লেখাপাড়ার প্রতি। তার কাছে অসংখ্য মানুষ বই খাতা স্কুল কলেজের বেতন নিয়ে উপকৃত হয়েছে। সবচেয়ে একটি বক্তব্য অত্যান্ত আবেগ এর সাথে বলতে দেখা গেছে তা হলো লেখা পড়া ।

তিনি বলেছেন আমি আমার বেনাপোলের কোন ছেলে মেয়ে লেখা পড়া অর্থের অভাবে করতে পারছে না তা শুনতে চাই না। যে মা বাবা লেখা পড়ার খরছ এর যোগান দিতে পারবে না আমি সেই ছেলেমেয়দের লেখাপড়ার সমস্থ খরছ যোগাব। আপনারা নির্ধিদ্বায় আমার কাছে আসেন আমি আপনাদের ছেলে মেয়েদের খরছের যোগান দিব। তার নিজের খরছে বর্তমানে এলাকার ২৫ জন শিক্ষাথী মাষ্টসর্সে পড়ছে বলে জানা গেছে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
লেখক / প্রতিবেদক

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।