× Banner
সর্বশেষ
ধর্মমন্ত্রীর আশু আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের বিশেষ দোয়া দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি পাওয়া স্বচ্ছ নিয়োগের প্রমাণ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৫-২৬ জুলাই ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিআইইআর সামিট ২০২৬ বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন, পরিকল্পিত আধুনিক নগর গঠনের উদ্যোগ বাজেট বাস্তবায়নেই সাফল্য, কক্সবাজারকে আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরী গড়ার পরিকল্পনা: অর্থমন্ত্রী FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল

বিশ্বমানের চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ২৪ জুলাই, ২০১৭

বিশেষ প্রতিবেদকঃ দেশের নির্মাতাদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিশ্বমানের চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে হবে। এতে দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরতে হবে। এজন্য সাভারে আন্তর্জাতিকমানের বঙ্গবন্ধু ফিল্ম সিটি নির্মাণ করা হবে। যাতে উন্নতমানের সিনেমা করা সম্ভব হয়। বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ সোমবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, প্রায়ই খবর আসে, শিল্পীরা চিকিৎসা করাতে পারছেন না, টাকা পয়সা নেই। যেখানে অনেক সন্তানই বাবা-মার খোঁজ খবর নেন না সেখানে একজন শিল্পীর কে খোঁজ নেবে। আর যেন কোনো শিল্পীকে কষ্ট পেতে না হয়, অর্থাভাবে, চিকিৎসার অভাবে মারা যেতে না হয় সে ব্যবস্থা আমি করে যেতে চাই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটা ফান্ড আছে। তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনেও একটি ফান্ড রয়েছে। সে ফান্ডকে আরো বড় পরিসরে করতে চাই। যাতে কোনো শিল্পীকে কারো কাছে হাত পাততে না হয়। ওই ফান্ড থেকেই সহায়তা দেয়া যায়।

তিনি বলেন, পাকিস্তান ছিল মরুভূমি, তারা আমাদের দেশের সম্পদ লুট করে নিয়ে যেতো। এভাবেই তারা চলতো। একটা সময় আমাদের দেশের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি ছিল অনেক উন্নত ও সমৃদ্ধ। আমাদের দেশেই শুটিং করা হতো। শেষে নেগেটিভ লাহোরে নিয়ে যাওয়া হতো, সেখানে কাটছাঁট সেন্সরশিপ করতো। কাস্টমের নামে নানাভাবে টাকা আদায় করতো। এক দেশ অথচ কাস্টম আলাদা। আমাদের চলচ্চিত্রের টাকা দিয়ে তারা নিজ দেশের অর্থনীতি উন্নতি করেছে।

তিনি আরো বলেন, পাকিস্তান আমাদের সংস্কৃতির ওপর নির্ভর করে চলতো। এখান থেকে তারা নানাভাবে আয় করতো। তাদের ইন্ডাস্ট্রিও পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমানের বাংলাদেশের) ওপর নির্ভরশীল। ১৯৫৪ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলা চলচ্চিত্রের উন্নয়নের জন্য তেজগাঁও শিল্প এলাকায় চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন গড়ে তোলার জন্য জায়গা বরাদ্দ করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু যখন একটি যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ গড়ে তোলার চেষ্টা করছিলেন, তখন তিনি সমানভাবে এদেশের শিল্প সংস্কৃতিকেও পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তিনি সিনেমাকে ভুলে যাননি। সিনেমার উন্নয়নের বিএফডিসি গড়ে তোলেন। সেন্সর নীতিমালা তৈরি করেন। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের বিদেশে পাঠান, চলচ্চিত্র সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান লাভের জন্য। তিনি চেয়েছেন এদেশে ভালো সিনেমা হোক।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৫ সালের চলচ্চিত্র শিল্পে ২৫টি ক্যাটাগরিতে অসামান্য অবদান রাখার জন্য ৩১ জনকে পুরস্কৃত করেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..