× Banner
সর্বশেষ
বাঁশখালীকে বন্যা মুক্ত করতে টেকসই বেড়িবাঁধ ও খাল পুনঃখননের আশ্বাস ত্রাণমন্ত্রীর ফের গ্রেফতার তনু হত্যায় সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর রহমান বাজার সিন্ডিকেট ও মজুতদারি করলেই কঠোর ব্যবস্থা – আইনমন্ত্রী গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে প্রথম বেইমানি করেছেন জামায়াত আমির – রাশেদ খান সাড়ে ৬ বছরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১৫ হাজার ৭১২ জন বেনাপোল পৌরসভায় যুবদল নেতা ইমদাদুল হক ইমদাদের গণসংযোগ ও মতবিনিময় নাটোরের ঐতিহ্যকে সারা বিশ্বে তুলে ধরতে চাই – বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আঞ্চলিক যুদ্ধের মধ্যে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তি সই সিরাজগঞ্জে ওভারপাসে উঠতে গিয়ে দুর্ঘটনা, বাসচালকসহ নিহত ২ যুদ্ধবিরতির ৩০০ দিনে গাজায় ৩০০ শিশু নিহত

বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে ব্যবসায়ীর ফ্লাট দখল ও সম্পত্তিতে লুটপাট

SDutta
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে মব সৃষ্টির মাধ্যমে ব্যবসায়ীর ফ্লাট ও সম্পত্তিতে লুটপাট চালিয়েছেন জেবা আমিনা আহমেদ নামে এক সন্ত্রাসী নারী। নিজেকে বাংলাদেশ মহিলা দলের সহ সভাপতি ও ঝালকাঠি জেলার বিএনপি নেত্রী দাবিকারী ওই নারী ব্যবসায়ীর প্রাক্তন স্ত্রী ছিলেন। ঈদের ছুটিতে পরিবার নিয়ে দেশের বাইরে অবস্থান করলে এই ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ী ওই ব্যক্তি তার পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে গণমাধ্যমে এসব কথা বলেছেন। ব্যবসায়ী ওই ব্যক্তির নাম মোকাররম হোসেন খান। তিনি ক্যাপিটাল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

তিনি বলেন, ২০০৫ সালে ক্যানসারে মৃত্যুবরণ করেন তার প্রথম স্ত্রী। সেই সময় জেবা আমিনা নিজের বিবাহিত পরিচয় গোপন করে তাকে বিয়ে করেন। সেদিন থেকে তার প্রতারণা শুরু। তিনি বহু মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ঋণ গ্রস্ত হয়ে দেউলিয়া হয়ে যান। এরপর আমার কাছ থেকে ধার হিসেবে টাকা নেন। আজও তিনি সেই টাকা পরিশোধ করেননি। তার বেপরোয়া জীবনে অতিষ্ঠ হয়ে ২০১৭ সালে আমি তাকে ডিভোর্স দেই।

এরপর তিনি গত ২৭ জুন আমার ও পরিবারের অন্য সদস্যদের অনুপস্থিতিতে একদল হিজরা ও কিছু যুবক নিয়ে আমার বারিধারা কূটনৈতিক পাড়া ২ ইউ এন রোডের বাড়িতে ২০১ ফ্লাটে ও ৪০১ নম্বরে জোরপূর্বক দখল করে। সেই ফ্লাটে তারা ভাঙচুর চালায়। পাহারাদারদের মারধর করে। বাড়ির গৃহকর্মীদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। বহু মূল্যবান জিনিসপত্র লুটপাট করে নিয়ে যায়। যার মূল্য ৭৭ লাখ টাকা। পুলিশের কাছে অভিযোগ দিলে তারা কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

তিনি বলেন, পুলিশ তার দখল হয়ে যাওয়া দুটি ফ্লাটের একটির চাবি দিয়েছে। আরেকটির চাবি পুলিশ নিজেদের হেফাজতে রেখে দিয়েছে। ওই ফ্লাটে তার মেয়ে, ছেলে এবং তার স্ত্রী সন্তান নিয়ে থাকতো। ফ্লাট কোম্পানির নামে কেনা হয়েছিল। সেটি নিয়ে মামলা চলমান আছে। কোম্পানির শেয়ার বেশিরভাগ আমার। জেবা আমিনার নামে কোনো শেয়ার নেই।

তিনি আরো বলেন, ওই ফ্লাট সর্বোচ্চ আদালতের স্থিতাবস্থা জারি ছিল। সেই অবস্থা নষ্ট করে তিনি আদালতের অবমাননা করেছেন। তিনি জেবা আমিনা আহমেদের বিচার চান। তার বাড়িতে যারা হামলা চালিয়েছে তাদের গ্রেফতার চান, পুলিশের কাছে থাকা ৪০১ নম্বর ফ্লাটের চাবি ফেরত চান ও এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চেয়ে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান।

তিনি হামলার সিসি টিভির ফুটেজ সংবাদকর্মীদের দেখান।

জেবা আমিনার কোনো মুঠোফোন নাম্বার না পাওয়ায় এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..