বিশেষ প্রতিবেদকঃ ‘আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে আমি একটাই কথা বলতে পারি, দেশে কোনো অশুভ শক্তিকে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেব না। নির্বাচনের আগের অশুভ শক্তির মাথাচাড়া রোধ করা হবে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ সবাই যাতে নির্বিঘ্নে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারে, সে রকম পরিবেশ সৃষ্টি করা হবে। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের চেতনায় বিশ্বাসী প্রধানমন্ত্রীও আমাদের সেই রকম দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।’
আজ ১৯ মে, শনিবার বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বি-বার্র্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির ভাষণে মাননীয় স্বরাষ্টমন্ত্রী জনাব আসাদুজ্জামান খান কামাল এ কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে কে মুসলিম, কে হিন্দু, কে খ্রিষ্টান, তার কোনো বিচার ছিল না। সব ধর্মের মানুষের রক্ত ভেজা দেশ আমাদের এ বাংলাদেশ। এখানে সবার সমান অধিকার।
ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মেলাঙ্গনে পরিষদের এই সম্মেলনে সারাদেশের সকল জেলা থেকে কাউন্সিলর ও প্রতিনিধিরা যোগ দেন। সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ বলেন, অতীতের জাতীয় নির্বাচন পূর্বাপর সময়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলা নির্যাতনের কথা স্মরণ করে আগামী নির্বাচনকে নিয়ে শঙ্কা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং সরকার ও প্রশাসনকে সতর্ক থাকার আহবান জানান। নেতৃবৃন্দ ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে বেদখলকৃত দেবোত্তর ভূমি পুন:রুদ্ধারের দাবি জানান সেই সাথে জামালপুরের দয়াময়ী মন্দিরের দেবোত্তর সম্পত্তি অধিগ্রহণ করে সাংস্কৃতি পল্লী প্রতিষ্ঠার চেষ্টায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন যেসব জেলায় সনাতন ধর্মাবলম্বী যোগ্য নেতা রয়েছে তাদেরকে আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন দিয়ে গণতান্ত্রিক ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে ঐক্যপ্রতিষ্ঠা করতে হবে।
সম্মেলনে মিলন কান্তি দত্ত-কে সভাপতি ও নির্মল কুমার চ্যাটার্জী- কে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের আগামী ২ বছরের কমিটি গঠন করা হয়।





