× Banner
সর্বশেষ
ওভারথিংকিং ডিটক্স ব্লুপ্রিন্ট বইটির মোড়ক উন্মোচন করলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, অধিকাংশ জেলায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরছে প্রস্তাবিত কর্পোরেট গভর্ন্যান্স রুলস ২০২৬ নিয়ে আইসিএসবির সিপিডি প্রোগ্রাম মাগুরায় ১০ হাজার গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান পানি সম্পদমন্ত্রীর মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ৬ জনকে পুশইন চেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ঝিনাইদহে প্রথমবার পালিত হলো বিশ্ব পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধ দিবস তথ্য ও উপাত্তের ভিত্তিতে নিরপেক্ষভাবে কাজ করাই পেশাদার সাংবাদিকতার মূল দর্শন – তথ্যমন্ত্রী Inner Wheel Club of Dhaka Cosmopolitan 2026–2027 Handover Ceremony & Collar Exchange Program ব্যবসা সম্প্রসারণেই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব, ব্যবসায়ীদের প্রতি পরিবেশমন্ত্রীর আহ্বান

পিআইডি

বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, অধিকাংশ জেলায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরছে

Kishori
হালনাগাদ: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬
প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য
প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য

ঢাকা: দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বন্যা, ভূমিধস ও পাহাড়ধস পরিস্থিতির ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে। বেশিরভাগ জেলায় বন্যার পানি নেমে গিয়ে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরতে শুরু করেছে। তবে চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় এখনও জলাবদ্ধতা ও বন্যার প্রভাব রয়েছে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সরকারি সংস্থাগুলোর সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং ত্রাণ-সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের জেলা ও উপজেলা তথ্য অফিস এবং তথ্য অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয়গুলোর সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন ও সরকারি সংস্থাগুলো বন্যা, ভূমিধস ও পাহাড়ধস মোকাবিলার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে নিয়মিত প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।

চট্টগ্রামে এখনও বন্যার প্রভাব

চট্টগ্রাম মহানগরসহ জেলার ১৫টি উপজেলা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় তথ্য অফিসের উদ্যোগে ঝুঁকিপূর্ণ বসতবাড়ি পরিহার, স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ, সাপে কাটা প্রতিরোধ, শিশু, নারী, প্রবীণ ও প্রতিবন্ধীদের নিরাপদে রাখা, ত্রাণ গ্রহণে আর্থিক লেনদেন থেকে বিরত থাকা এবং বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার ঝুঁকি এড়াতে সচেতনতামূলক মাইকিং ও সড়ক প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

হবিগঞ্জে স্বাভাবিক পরিস্থিতি

হবিগঞ্জ জেলার সব উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। বর্তমানে কোনো পরিবার পানিবন্দি নেই এবং কোথাও প্রাণহানি বা পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

খাগড়াছড়িতে পানি কমেছে, সতর্কতা অব্যাহত

খাগড়াছড়িতে অধিকাংশ এলাকা থেকে বন্যার পানি নেমে গেলেও পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থা এখনও ফিরে আসেনি। নতুন কোনো পাহাড়ধসের খবর পাওয়া যায়নি এবং নদ-নদীর পানি বিপদসীমার নিচে রয়েছে। স্থানীয় তথ্য অফিস বন্যা ও পাহাড়ধস বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।

কক্সবাজারে পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি

কক্সবাজারে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ২০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হলেও রামুর বাঁকখালী ও চকরিয়ার মাতামুহুরী নদীর পানি বিপদসীমার অনেক নিচে রয়েছে। নতুন করে পাহাড়ধস বা ভূমিধসের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

মৌলভীবাজারে ক্ষয়ক্ষতি, উন্নতির পথে পরিস্থিতি

মৌলভীবাজারে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও কৃষি ও অবকাঠামোতে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া গেছে। জেলায় ৫৭ হেক্টর কৃষিজমির ফসল, প্রায় ৪০৫টি পুকুর এবং ৫৪টি গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যা-পরবর্তী সচেতনতামূলক প্রচারও চলমান রয়েছে।

রাঙামাটি, বান্দরবান, লামা ও রামগড়ে স্বাভাবিক অবস্থা

রাঙামাটিতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। পাহাড়ধসের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচার অব্যাহত আছে।

বান্দরবানে গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হলেও সাঙ্গু ও মাতামুহুরি নদীর পানি বিপদসীমার নিচে রয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষ ধীরে ধীরে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরছেন।

লামায় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হলেও বন্যা, ভূমিধস বা পাহাড়ধসের কোনো ঘটনা ঘটেনি। মাতামুহুরী নদীর পানির স্তরও স্বাভাবিক রয়েছে।

রামগড়েও ফেনী নদীর পানি বিপদসীমার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। ভারী বৃষ্টি না থাকায় নতুন করে বন্যা বা পাহাড়ধসের আশঙ্কা নেই। স্থানীয় তথ্য অফিস ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জনসচেতনতা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

সরকারি সংস্থাগুলো জানিয়েছে, আবহাওয়া পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ, নিরাপত্তা এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..