× Banner
সর্বশেষ
শ্যামনগরে প্রতিবন্ধী,দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিদের মাঝে দুই লক্ষাধিক টাকার চেক বিতরণ শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম শাহাদৎবার্ষিকী অনুষ্ঠিত তনু হত্যা মামলায় সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুরের জামিন বাতিল, আত্মসমর্পণের নির্দেশ লিবিয়ায় মাফিয়ার নির্যাতনে মাদারীপুরের যুবকের মৃত্যু পাইকগাছায় ছাত্র ও দরিদ্র মানুষের মাঝে সাইকেল, সেলাই মেশিন ও ভ্যান বিতরণ মার্কিন প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহর কমান্ডারের বাংলাদেশ সফর শেষ ভারতীয় হাইক‌মিশনা‌রের স‌ঙ্গে আইএবিডির প্রতি‌নি‌ধিদ‌লের সাক্ষাৎ গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের জবাব চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি ১১ দলের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কা‌ছে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির পরিচয়পত্র পেশ

বকেয়া মজুরি ও বেতন-ভাতা পরিশোধে বিজেএমসিকে একশত কোটি টাকা বরাদ্দ

Biswajit Shil
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১৯

বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন (বিজেএমসি)-এর নিয়ন্ত্রণাধীন পাটকলসমূহের শ্রমিক-কর্মচারীদের বকেয়া মজুরি ও বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য একশত কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

আজ বিজেএমসি’র নিয়ন্ত্রণাধীন মিলসমূহের শ্রমিক-কর্মচারীদের আগস্ট হতে নভেম্বর, ১৯ পর্যন্ত বকেয়া মজুরি ও বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে অর্থ বিভাগের ‘অপ্রত্যাশিত ব্যয়’ খাত হতে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিজেএমসি’র অনুকূলে ‘পরিচালনা ঋণ’ খাতে এ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

তবে অর্থ বিভাগ থেকে বরাদ্দ এই টাকা ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিজেএমসিকে বেশ কিছু শর্ত পরিপালন করতে হবে।

শর্তগুলো হলো : ছাড়কৃত একশত কোটি টাকা চলতি অর্থবছরে (২০১৯-২০) বিজেএমসি’র মিলগুলোর জন্য বর্ণিত খাত ছাড়া অন্য কোনো খাতে ব্যয় করা যাবে না। এ ছাড়া ছাড়কৃত অর্থ সুনির্দিষ্ট ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট পেয়ি চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে। এ অর্থ ব্যয়ের সাত দিনের মধ্যে মিলভিত্তিক কর্মচারী ও শ্রমিকদের তালিকা-সহ বিস্তারিত ব্যয় বিবরণী অর্থ বিভাগে প্রেরণ করতে হবে। এ অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারের বিদ্যমান বিধি-বিধান অনুসরণ করতে হবে। বিধি বহির্ভূতভাবে কোনো অর্থ পরিশোধ করা হলে সংশি¬ষ্ট কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবেন।

আর্থিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, বিজেএমসি ও অর্থ বিভাগের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকে বর্ণিত শর্তাদি যথাযথভাবে প্রতিপালন করতে হবে। ছাড় করা অর্থ বিজেএমসির অনুকূলে ‘সরকারি ঋণ’ হিসেবে গণ্য হবে, যা আগামী ২০ বছরে (পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ড-সহ) পাঁচ শতাংশ সুদে ষান্মাসিক কিস্তিতে পরিশোধ করতে হবে। এ বিষয়ে অর্থ বিভাগের সাথে বিজেএমসির একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..