× Banner
সর্বশেষ
আজ ১৮ শ্রাবণ মঙ্গলবারের রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ৪ আগস্ট মঙ্গলবারের পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে কোটালীপাড়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে সাবেক ভিপি ফায়েকুজ্জামানের ফুটবল বিতরণ বাংলাদেশ-কোরিয়ার অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে – বাণিজ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করল আইসিআরসি প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা আয়োজনের লক্ষ্যে স্টিয়ারিং কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদীর সাক্ষাত ; হাসিনার বিষয়ে ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে যে কথা হলো উপদেষ্টার শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য ঠেকাতে ভারতের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ইউএন উইমেনের সহযোগিতা চান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ফিলিস্তিনি সাংবাদিক ৯৪ দিন পর অনশন ভাঙছেন

admin
হালনাগাদ: রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে আজ শনিবার পর্যন্ত ইসরায়েলের কারাগারে টানা ৯৪ দিন অনশনে আছেন ফিলিস্তিনের সাংবাদিক মুহাম্মদ আল কিক (৩৩)। অবশেষে ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ তার মুক্তির ঘোষণা দিলে তিনিও অনশন ভঙ্গ করার ঘোষণা দেন।

ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিনা বিচারে আটক সাংবাদিক আল কিককে জুনের ২১ তারিখে মুক্তি দেওয়ার কথা ছিল। মুক্তির সময় এক মাস এগিয়ে এনে মে মাসের ২১ তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

গত বছরের ২১ নভেম্বর ইসলামপন্থি সংগঠন হামাসের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার হন সৌদি আরবভিত্তিক আলমাজিদ টিভি নেটওয়ার্কের ফিলিস্তিনি সংবাদদাতা আল কিক। আটক হওয়ার চার দিন পর থেকেই তিনি অনশন শুরু করেন। টানা তিন মাস তাকে কৃত্রিমভাবে তরল খাবার খাইয়ে রাখা হয়েছে। এরই মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা সময় ধরে অনশনের রেকর্ডও গড়ে ফেলছেন তিনি।

ফিলিস্তিনের মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থা আদ্দামিরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাকে নির্যাতন এবং ভুল চিকিৎসা দেওয়ার প্রতিবাদে নভেম্বরের ২৫ তারিখ থেকে অনশন শুরু করেন কিক। এই সময়ের মধ্যে তার শরীর একেবারে ভেঙে যায়। কয়েকবারই তাকে ‘মৃত্যুর মুখোমুখি’ হতে হয়।

প্যালেস্টানিয়ান প্রিজনারস সোসাইটির প্রধান কাদুরা ফারিস বলেন, কিক অসুস্থ হয়ে পড়লেও তার কোনো চিকিৎসাব্যবস্থা নেয়নি ইসরায়েলের কারাকর্তৃপক্ষ।

যদিও হাসপাতালের এথিকস কমিটি গত মাসে কিককে জোর করে চিকিৎসা দেওয়ার কথা বলেছে, কিন্তু ফিলিস্তিনের মানবাধিকার সংস্থাগুলো সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছে।

কিকের মুক্তির জন্য কাজ করা মিডল ইস্ট আই সংস্থার আইনজীবী ও ইসরায়েলি রাজনীতিবিদ ওসামা সাদি আফুলা হসপিটাল থেকে বলেন, ‘যে কোনো মুহূর্তে তার শরীর একটি আতঙ্কজন অবস্থায় চলে যেতে পারে। তাকে এখনই ইমার্জেন্সি রুমে রাখা উচিত। তবে এই যুবকের চেতনা খুবই উচ্চ। সে খুবই সুখী এবং খুবই সন্তুষ্ট।

কিকের স্ত্রী ফেইয়াহ সালাশ বলেন, এটা সত্যিই বড় আনন্দের ঘটনা। তা কেবল আমার পরিবারের জন্যই না, সমস্ত ফিলিস্তিনিবাসীর জন্যও।

তথ্যসূত্র : দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট অনলাইন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..