× Banner
সর্বশেষ
শ্যামনগরে প্রতিবন্ধী,দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিদের মাঝে দুই লক্ষাধিক টাকার চেক বিতরণ শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম শাহাদৎবার্ষিকী অনুষ্ঠিত তনু হত্যা মামলায় সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুরের জামিন বাতিল, আত্মসমর্পণের নির্দেশ লিবিয়ায় মাফিয়ার নির্যাতনে মাদারীপুরের যুবকের মৃত্যু পাইকগাছায় ছাত্র ও দরিদ্র মানুষের মাঝে সাইকেল, সেলাই মেশিন ও ভ্যান বিতরণ মার্কিন প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহর কমান্ডারের বাংলাদেশ সফর শেষ ভারতীয় হাইক‌মিশনা‌রের স‌ঙ্গে আইএবিডির প্রতি‌নি‌ধিদ‌লের সাক্ষাৎ গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের জবাব চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি ১১ দলের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কা‌ছে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির পরিচয়পত্র পেশ

ডেস্ক

ফিরোজার নামজারির কাগজ পেলেন বেগম খালেদ জিয়া

Kishori
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ৫ জুন, ২০২৫
ফিরোজার নামজারির কাগজ

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গুলশানের বাড়িটি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এতদিন তার নামে নামজারি করা হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর তার নামে নামজারি করে বেগম খালেদা জিয়ার হাতে গুলশানের বাড়ি ফিরোজার নামজারির কাগজ পৌঁছে দিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান।

বুধবার (৪ জুন) রাতে খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসা ফিরোজায় দেখা করতে গিয়ে গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব মো. নজরুল ইসলাম ও রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম এই নামজারির কাগজ তুলে দেন।

বিষয়টি নিয়ে খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার সময় সংবাদকে বলেন, উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খানসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এসেছিলেন সৌজন্য সাক্ষাত করতে। কিছু কাগজ দেখতে পেয়েছি তাদের হাতে। তবে সেগুলো কিসের তা জানি না।

সরকারের একটি সূত্র জানায়, গুলশানের বাড়িটি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিয়ন্ত্রণেই আছে। তবে তার নামে নামজারি করা ছিল না। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর খালেদা জিয়ার নামে বাড়িটি নামজারি করা হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে নামজারির কাগজটি খালেদা জিয়ার হাতে তুলে দিতে চেয়েছে সরকার। কিন্তু খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কারণে এই আনুষ্ঠানিকতা দেরি হয়।

এর আগে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে তার বাসায় যান শিল্প এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব মো. নজরুল ইসলাম ও রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, ১৯৮১ সালের ৩১ মে রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী খালেদা জিয়াকে রাজধানীর গুলশান এলাকায় দেড় বিঘা জমির ওপর অবস্থিত ওই বাড়ি বরাদ্দ দেয়া হয়। বাড়িটি খালেদা জিয়া গুলশানে ‘ফিরোজা’ নামের যে বাড়িতে থাকেন, সেটির কাছেই। এর বাইরে ঢাকা সেনানিবাসের ভেতরও আরেকটি বাড়ি খালেদা জিয়াকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। তবে বিগত আওয়ামী লীগ সরকার সেনানিবাসের বাড়িটির বরাদ্দ বাতিল করে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..