× Banner
সর্বশেষ
টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় স্বাধীন ও শক্তিশালী গণমাধ্যমের বিকল্প নেই -মির্জা ফখরুল জুলাই তথ্যচিত্র থেকে আবু সাঈদের ছবি-ভিডিও যে কারণে বাদ দেওয়া হয়েছিল থাইল্যান্ডে স্কুলে এলোপাতাড়ি গুলি, নিহত ৭ জাপানের শ্রমবাজারের উপযোগী দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলবে সরকার -ববি হাজ্জাজ সকালে সন্তানের জন্ম দিয়ে দুপুরে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিলেন মা শিশুদের মানসিক ক্ষতি – মেটাকে ৯৪২ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করলো যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র সফরে প্রধানমন্ত্রী সিলেটে দুই যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৯ বেনাপোলে  ২টি ককটেল উদ্ধার থাইল্যান্ডের স্কুলে গুলিবর্ষণ: শিক্ষক নিহত, আহত চার

ডেস্ক

প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি কোয়ালিটি কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে -শিক্ষা উপদেষ্টা

Kishori
হালনাগাদ: সোমবার, ৭ জুলাই, ২০২৫
গকুলদাশের বাগ এলাকার জামেয়া ইসলামিয়া আলিম মাদরাসায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে

বিশ্ব এমন জায়গায় যাচ্ছে যে আমাদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিখতে হবে। কারিগরি শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। তাই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি কোয়ালিটি কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা উপদেষ্টা প্রফেসর ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার।

আজ সোমবার (৭ জুলাই) নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার গকুলদাশের বাগ এলাকার জামেয়া ইসলামিয়া আলিম মাদরাসায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে একথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আমাদের মাঝে কারিগরি শিক্ষার ব্যাপারে অনীহা রয়েছে। আজ চাকরির সুযোগ সীমিত হয়ে আসছে। কারিগরি শিক্ষার সুযোগ দেশে ও বিদেশে বাড়ছে। অভিভাবকদেরও বুঝতে হবে যে তাদের সন্তানদের ভবিষ্যত রয়েছে এ কারিগরি শিক্ষার মধ্যে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের এমন কারিগরি শিক্ষা চালু করতে হবে যেটার দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা রয়েছে। তাদেরকে সেভাবে আমাদের গড়ে তুলতে হবে। সরকারকে এদিকে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে।

আমাদের অধিকার ছিল না। আমরা প্রজায় পরিণত হয়েছিলাম। এ ছাত্ররা জুলাইয়ে আমাদের মুক্তি এনে দিয়েছে। সেই বাংলাদেশকে গড়ে তোলার জন্য অল্প সময়ের জন্য আমাদের হাতে দায়িত্ব এসেছে। জনগণ যাদের নির্বাচিত করবে আমরা এবং তারা জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করবো। এমন শিক্ষা যেটা মানুষকে দক্ষ করবে, নৈতিক ও মানবিক করবে সেই শিক্ষার শুরুটা যেন আমরা করে যেতে পারি।

তিনি বলেন, জুলাই আমাদের গর্বের মাস। আমি প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আহ্বান জানাবো জুলাইয়ে প্রোগ্রাম করে শহীদদের স্মরণ করতে। আন্দোলনে যারা সম্পৃক্ত ছিল তাদের ধন্যবাদ দেওয়া এবং যারা আহত হয়েছে তাদের প্রতি সাধ্যমতো হাত বাড়িয়ে দেওয়া। রাষ্ট্র তার সাধ্যমতো করছে। যারা পঙ্গু তাদের সম্ভব না হলে তাদের পরিবারকে যেন সাহায্য করা যায় সে দায়িত্ব আমাদের সবার।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..