× Banner
সর্বশেষ
আগস্টের শেষে খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: সর্বনিম্নে নামবে অভিবাসন ব্যয় পাকিস্তানের কোয়েটার কয়লাখনিতে বিস্ফোরণ: নিহত ১৮, আটকা আরও ২৪ শ্রমিক পাকিস্তানে সহিংসতা বৃদ্ধি: প্রাণহানি ও নিরাপত্তা সংকট ঘিরে উদ্বেগ বিশ্ব রেঞ্জার দিবস ২০২৬: ইতিহাস, প্রতিপাদ্য, গুরুত্ব ও রেঞ্জারদের অবদান আজ ৩১ জুলাই বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় ৩১ জুলাই শুক্রবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিলে হামলার অভিযোগ, আহত বেশ কয়েকজন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগে জনপ্রশাসন হবে অধিকতর জনবান্ধব – জনপ্রশাসন উপদেষ্টা স্বাস্থ্য খাতকে আরও শক্তিশালী করতে চিকিৎসকদের সহযোগিতা অপরিহার্য – স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সুদের টাকার জন্য বিধবার গাভী নিয়ে গেলেন দাদন ব্যবসায়ী

পিতার মৃত্যুর ৪র্থ দিনে বস্ত্রদান দ্যা নিউজ এর সম্পাদক প্রকাশক প্রমিথিয়াস চৌধুরীর 

Kishori
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৪
গনেশ চৌধুরী

পিতা গণেশ চৌধুরীর মৃত্যুর চতুর্থ দিনে বস্ত্র দান করলেন দ্যা নিউজ এর সম্পাদক ও প্রকাশক প্রমিথিয়াস চৌধুরী।

আজ ০৮ অক্টোবর মঙ্গলবার পিতার দেহাবশানের চতুর্থ দিনে নিজস্ব পৈত্রিক বাসভবন বরিশাল জেলার আগইলঝাড়া থানাধীন পশ্চিম গোয়াইল এর ”আনন্দলোকে” এ বস্ত্র দান অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন প্রমিথিয়াস চৌধুরী। ০৫ অক্টোবর সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে দেহ রেখেছেন তার পিতা।

প্রমিথিয়াস চৌধুরী বলেন, জীবের শ্রেষ্ঠ জীবন মানব জনম। এই মানব জনমের সর্বশেষ এবং গুরুত্বপূর্ন সংস্কার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া। আমার পিতৃ দেবের সেই অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া যারা স্বশরীরে উপস্থিত থেকে সম্পন্ন করে আমাকে কৃতার্থ করেছে তাদের কাছে আমি ঋণী। সামান্য অন্ন বস্ত্র দান করে আনন্দ পেতে চাই। আcloth distributionমার পিতা একজন সাত্বিক বৈষ্ণব ছিলেন। আমি জ্ঞান হওয়া থেকে দেখছি তিনি নিজে কখনো অন্যায় করেন না, আমাকেও কোনদিন সেই শিক্ষা দেননি। আমি দেড় বছর বয়সে মাকে হারিয়েছি। মায়ের ভালোবাসা, স্নেহ কি সেটা আমি জানিনা। আমার বাবাই আমার মা তিনিই আমার বাবা। তার এই শেষকৃত্বে যেন সকলের আশীর্বাদ পাই।

উল্লেখ্য, ০৫ অক্টোবর ভোর সাড়ে ৫টার দিকে দ্যা নিউজ এর সম্পাদক প্রকাশক প্রমিথিয়াস চৌধুরীর পিতা গণেশ চৌধুরী একটু অসুস্থতা বোধ করেন। উপসর্গ দেখে বোঝা গেলো ব্লাড প্রেসার বেড়েছে। মাথায় জল দিয়ে জল খাইয়ে এ্যাম্বুলেন্স ডাকা হয়। ৩০ মিনিট ধরে পুত্রের সেবা পেতে পেতে কিছুটা শান্ত তিনি। ৫ মিনিট পরে তার কোন সাড়া না পেলে ডাকাডাকি করলে দেখা গেলো তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। এ্যাম্বুলেন্স বাড়িতে পৌঁছানোর সময়টুকুও দেননি। এই শোক সন্তপ্ত পরিবারকে সবাই সান্ত্বনা দিচ্ছেন এই বলে যে, বাবার শেষ সময়ে পুত্র কাছে থেকে সেবা করতে পেরেছে। তার হাতে জল খেয়ে ও সেবা পেয়ে পিতা পরম আনন্দে পরলোক গমন করেছেন এর থেকে ভালো খবর আর কি হতে পারে।  মৃত্যুকালে গণেশ চৌধুরীর বয়স হয়েছিলো ৮৫ বছর।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..