পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার কবলে সিলেটবাসী

পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার কবলে সিলেটবাসী

স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছেন সিলেটবাসী। পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে এ পরিস্থিতির সিকার হয়। ইতোমধ্যে সিলেট সদর, কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর, কানাইঘাটসহ ১১টি উপজেলা প্লাবিত হয়েছে।

পানিতে ডুবে আছে কোম্পানীগঞ্জ, লামাকাজী, বিশ্বনাথ, জৈন্তাপুর, জকিগঞ্জ, কানাইঘাট, ওসমানীনগরসহ সবক’টি এলাকা। বাসাবাড়ি, রাস্তাঘাট তলিয়ে এসব অঞ্চলের মানুষের বাড়িতে এখন গলা সমান পানি।

সিলেটের সব নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার পর এখনও সুরমা, কুশিয়ারা, সারি, পিয়াইন নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। ফলে অজানা আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন সিলেটের বিস্তীর্ণ এলাকার লোকজন।

বানের জলে ভেসে যাচ্ছে কাচা ও টিনশেড বাড়িঘর। অনেক জায়গায় নদী ভাঙনও দেখা দিয়েছে। এরইমধ্যে কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। অবস্থা এতই বেগতিক যে, মানুষ এখন আশ্রয়ও পাচ্ছেন না।

জানা গেছে, সরকারিভাবে উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার বন্যা দুর্গত এলাকার জন্য ৪০ টন চাল ও ৫০ হাজার টাকার শুকনো খাবার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতিতে জরুরি কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। উপজেলায় ২৪টি আশ্রয়নকেন্দ্র চালু করা হয়েছে। প্রশাসন থেকে ৬টি ইউনিয়নে ২৪ টন চাল ও ৫০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ, এবারের বন্যা ২০০৪ ও ১৯৮৮ সালের বন্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
সংবাদ প্রতিনিধি

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।