পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় করা বর্তমান সরকারের প্রায়োরিটি জানিয়ে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, পানি চুক্তির সময় দেশের স্বার্থ প্রাধান্য দেয়া হবে। পানির ন্যায্য হিস্যা আমাদের আদায় করে নিতে হবে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এসডিজি অর্জনের জন্য পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো: নীতি, অংশীদারিত্ব ও অগ্রাধিকার শীর্ষক জাতীয় সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় করা বর্তমান সরকারের প্রায়োরিটি। পানি চুক্তির সময় দেশের স্বার্থ প্রাধান্য দেয়া হবে। এছাড়া বাংলাদেশের স্বার্থ ধরে রেখে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার কাজ করে যাচ্ছে সরকার।
শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, পানির ন্যায্য হিস্যা আমাদের আদায় করে নিতে হবে। আমরা আশা করছি কিভাবে নিজেদের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে চুক্তি বাস্তবায়ন করা যায়। দুই দেশের মধ্যে পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়িত করতে প্রকল্প হাতে নিয়েছি। ৩৫ বছরের এই প্রকল্প। এই প্রকল্পের সঙ্গে দেশের ৩ ভাগের ২ ভাগের মানুষের ভাগ্য জড়িত।
তিনি বলেন, স্যানিটাইজেশনের আন্দোলন ২০০১ থেকে করছি। নির্বাচনের আগে নতুন করে এ নিয়ে আবারও কথা উঠেছিল, ইশতেহারেও এ বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে। আজ এসডিজির সঙ্গে বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারের মিল রয়েছে। সাড়ে চার বছরে এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হবে ও দৃশ্যমান পরিবর্তন ঘটাতে হবে।
সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এসডিজি অর্জনের জন্য প্রান্তিক মানুষকে সচেতন করতে হবে এবং সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।
বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা, নারী-পুরুষের সমতা, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন এবং সামাজিক বৈষম্য কমিয়ে কিভাবে সমতাভিত্তিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা যায় তা নিয়ে তিনদিনের এক জাতীয় সম্মেলনে আলোচনা করেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়সহ সরকারের বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তারা।
সম্মেলনে মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্য, নারীর অধিকার, নিরাপদ পানি-স্যানিটেশন এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর বৈষম্য কমানোর পরিসংখ্যান তুলে ধরেন আয়োজকরা।



