× Banner
সর্বশেষ
লিবিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক ক্ষমতা নয় মানুষের সেবা এই অঙ্গীকার ধারন করে নিরলসভাবে এগিয়ে চলেছেন মেয়র পদপ্রার্থী ইমদাদুল হক ইমদাদ শেখ হাসিনা ফিরলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে – আইনমন্ত্রী ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫২৯, উদ্ধার বিদেশি পিস্তল-গুলি,ম্যাগাজিন, মোবাইল ফোন ও একটি সুইচ গিয়ার চাকু বেজার বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক স্থাপনে ২১১ কোটি টাকার ব্যয় অনুমোদন প্রতিবন্ধী ৩ ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ইউনেস্কোর সঙ্গে অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করতে চায় বাংলা‌দেশ বেনাপোল পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মফিজুর রহমান পিন্টুর গণসংযোগ বেনাপোল দৌলতপুর সিমান্ত থেকে ১৬৯ বোতল ভারতীয় নেশা জাতীয় সিরাপ উদ্ধার অপরাধীদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই, অন্যায় করলে কঠোর ব্যবস্থা: হাটহাজারীতে আইনশৃঙ্খলা সভায় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল

নবীগঞ্জে নিখোঁজের ৩ মাস পর গৃহবধূর কংকাল উদ্ধার,কথিত প্রেমিক আটক

admin
হালনাগাদ: রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮

উত্তম কুমার পাল হিমেল,নবীগঞ্জ(হবিগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ নবীগঞ্জের পল্লীতে নিখোঁজের ৩ মাস পর হাওরের ধান ক্ষেত থেকে সুজনা বেগম (২৯) নামের এক গৃহবধূর কংকাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার বিকেলে ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের কইখাই গ্রামের ইলিমপুর হাওর থেকে কংকালটি উদ্ধার করে ইনাতগঞ্জ ফাঁড়ি পুলিশ। সুজনা বেগম ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের বক্তারপুর গ্রামের তোলাফর উল্লার মেয়ে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে সুজনা বেগমের কথিত প্রেমিক সাহিন মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।

সূত্র জানায়, সুজনা বেগম চলতি বছরের ৩১ অক্টোবর সন্ধ্যায় তার খালার বাড়ি সৈয়দপুর দাওয়াতে যাবার পথে নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের পর আত্মীয় স্বজনসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুজি করেও তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে সুজনার বাবা তোলাফর উল্লা ওইদিনই নবীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। এদিকে নিখোঁজের ৩ মাস পর গতকাল শনিবার বিকেলে ইলিমপুর হাওরে স্থানীয় লোকজন কংকালের কিছু হাড় ও কাপড় দেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে সহকারী পুলিশ সুপার নবীগঞ্জ বাহুবল সার্কেল পারভেজ আলম চৌধুরী, ইনাতগঞ্জ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক সামছুদ্দিন খাঁন একদল পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কংকালের হাড়, ওড়না ও সেলোয়ার কামিজসহ পরনের কাপড় উদ্ধার করেন।

এ সময় সুজনার পিতা তোলাফর উল্লাহসহ পরিবারের লোকজন ওড়না ও সেলোয়ার কামিজ দেখে কংকালটি সুজনার বলে নিশ্চিত করেন। সন্ধ্যায় সহকারী পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহ কইখাই গ্রামের মৃত আব্দুল মতিনের পুত্র সাহিন মিয়াকে আটক করেন।

নিহত সুজনার ভাই সাহিনুর রহমান জানান, তার বোন সুজনার সাথে সাহিন মিয়ার প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। পরবর্তীতে সুজনাকে মোস্তফাপুর গ্রামের জয় হোসেনের সাথে বিয়ে দেন। বিয়ের কিছুদিন পর জয় হোসেন সৌদি আরব চলে যান। তারপর আর দেশে ফিরেনি। নিহত সুজনার ৪ বছরের এক মেয়ে রয়েছে। এদিকে সুজনার বিয়ের পর প্রেমিক সাহিনও বিয়ে করে। কিন্তু বিয়ের পরও দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলছিলো। এ নিয়ে কয়েকবার গ্রামে শালিস বৈঠক হয়েছে। কিন্তু তাদেরকে ফিরানো যায়নি। এমতাবস্থায় সুজনা নিখোঁজ হয়।

এ ব্যাপারে সহকারী পুলিশ সুপার পারভেজ আলম চৌধুরী জানান,সুজনা নিখোঁজের পর তার পরিবারের দায়েরকৃত জিডির ভিত্তিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাহিনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত চলছে। বিস্তারিত পরে বলা যাবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..