× Banner
সর্বশেষ
ধর্মমন্ত্রীর আশু আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের বিশেষ দোয়া দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি পাওয়া স্বচ্ছ নিয়োগের প্রমাণ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৫-২৬ জুলাই ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিআইইআর সামিট ২০২৬ বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন, পরিকল্পিত আধুনিক নগর গঠনের উদ্যোগ বাজেট বাস্তবায়নেই সাফল্য, কক্সবাজারকে আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরী গড়ার পরিকল্পনা: অর্থমন্ত্রী FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল

নবীগঞ্জে দেবোত্তর সম্পত্তি দখল নিতে মরিয়া হেলাল মিয়া॥ সংঘর্ষের আশঙ্কা

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

নবীগঞ্জ(হবিগঞ্জ)প্রতিনিধি ॥ নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের মৌজপুর গ্রামে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দেবোত্তর সম্পত্তি ও কয়েকটি গ্রামের হাওড়াঞ্চলের চলাচলের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির জের ধরে এলাকায় টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। যেকোনো সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা করছেন এলাকাবাসী।

জানা যায়, উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের মৌজপুর গ্রামে কালাচান তলী নামকস্থানে যুগের পর যুগ ধরে সনাতন ধর্মাবলম্বীর লোকজন পূজা ও বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব পালন করে আসছেন। কুমারকাদা,দুর্গাপুর হোসেনপুর,মৌজপুরসহ কয়েকটি গ্রামের লোকজন কালাচান তলীতে প্রবেশ এবং পাশ্ববর্তী হাওরাঞ্চলে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তা হিসেবে এ রাস্তা ব্যবহার করে আসছিলেন।

এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, সাম্প্রতি কালাচান তলীর দেবোত্তর সম্পত্তির রাস্তা ও হাওড়ে যাতায়াতের রাস্তা কুমারকাদা গ্রামের লন্ডন প্রবাসী হেলাল মিয়া বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে তার লোকজনের মাধ্যমে দেবোত্তর সম্পতি দখল করতে মরিয়া উঠে। হেলাল মিয়া প্রবাসে থাকায় তার মামা ওই গ্রামের মৃত মুনছব উল্লার পুত্র আকল মিয়া,সমশু মিয়া কর্তৃক উক্তস্থানে বাশের বেড়া দিয়ে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। এমন কী দেবোত্তর সম্পত্তি ও কালাচান তলীর রাস্তা দখলে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এঘটনায় এলাকার মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

এ ব্যাপারে ওই গ্রামের মৌজপুরের বাসিন্দা অরুণ দেবনাথ জানান, পাকিস্তান শাসন আমল থেকে এই রাস্তা কালাচান তলীর রাস্তা ও হাওড়াঞ্চলে চলাচলের রাস্তা হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। ইদানিং হেলাল মিয়ার লোকজন উক্ত রাস্তার উপরে বাশের বেড়া দিয়ে এলাকাবাসীর চলাচলে বিঘ্নসহ আমাদের ধর্মীয় কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছেন। আমরা দেবোত্তর সম্পত্তি উদ্ধারে ও নিবিঘ্নে চলাচলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

দুর্গাপুর গ্রামের বিশিষ্ট মুরুব্বি হাজী আব্দুল কাইয়ুম বলেন, আমরা বয়স ৮০ বৎসর, আমরা জন্মের পর থেকে কয়েকটি গ্রামের লোকজন উক্ত রাস্তা হাওড়াঞ্চলে যাতায়াতে ও সনাতন ধর্মের লোকজন কালাচান তলীতে যাতায়াত করে আসছেন। কিছুদিন ধরে প্রভাবশালী চক্র উক্ত রাস্তা দখল করতে মরিয়া উঠায় আমাদের এলাকার শান্ত পরিবেশ অশান্ত হয়ে  উঠেছে।

যেকোনো সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা রয়েছে জানিয়ে বিশিষ্ট শালিস বিচারক আহমদ আলী, লিংকন দেবনাথ, বাছির মিয়াসহ আরো অনেকেই বলেন বলেন, আমরা একাধিক বার এবিষয়টি মিমাংসার স্বার্থে সামাজিক বিচারের মাধ্যমে শেষ করে দিতে চাইলে হেলাল মিয়ার লোকজন আমাদের ডাকে সাড়া দেয়নি।

অভিযুক্ত হেলাল এর মামা আকল মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমরা জায়গা ক্রয় করে আমাদের জায়গায় বেড়া দিয়েছে।

এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদ বিন-হাসান বলেন, দেবোত্তর সম্পত্তি ও মানুষের যাতায়াতকারী রাস্তার বিরোধের বিষয়টি আমার জানা নেই, এ ব্যাপারে খোজখবর নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..