দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৭টি ল্যাবে ৮৯০৮টি নমুনা পরীক্ষা করে ১ হাজার ৫৩২ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া গেল ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ২৮ জন। সুস্থ হয়ে ফিরেছে ৪১৫ জন।
আজ রবিবার (২৪ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এ তথ্য জানান।
সারাদেশে মোট করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ৩১ হাজার ৭৩৭ জন, মোট মৃত্যু ৪৮০ জন এবং সুস্থ হয়ে ফিরেছে ৬ হাজার ৯০১ জন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ২০.৫৩ শতাংশ আর মৃত্যুর হার ১.৪৩ শতাংশ।
গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আইসোলেশনে ২৫৩ জন এর ছাড় পেয়েছেন ৯৪ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৪৪৪৬জন, এপর্যন্ত ছাড় পেয়েছেন ২১৬৩ জন। মোট আইসোলেশন শয্যা ১৩ হাজার ২৬৪টি আর প্রস্তুতি পর্বে আছে ৬৭টি শয্যা। ঢাকা মহানগরীতে ৭ হাজার ২৫০টি এবং ঢাকা সিটির বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে ৬ হাজার ১৪টি। সকল হাসপাতালে আইসিইউ বেড এর সংখ্যা ৩৯৯টি এবং ডায়ালাইসিস ইউনিট ১০৬টি। ২৪ ঘন্টায় কোয়ারেন্টাইনে ৩০৬৩ জন এবং ছাড় পেয়েছেন ৩০৮৭ জন। এপর্যন্ত কোয়ারেন্টাইনে ২ লাখ ৬৩ হাজার ৪৭৯ জন। এ পর্যন্ত ছাড় পেয়েছেন ২ লাখ ৮ হাজার ৩৪৬ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৫৫ হাজার ১৫৩ জন।
সারাদেশের সকল জেলা উপজেলা পর্যায়ে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ৬২৬টি প্রতিষ্ঠান। এর মাধ্যমে ৩১ হাজার ৮৪০ জনকে তাৎক্ষনিক সেবা করা যায়।
২৪ ঘণ্টায় স্বাস্থসুরক্ষা সামগ্রী সংগৃহীত হয়েছে ৩৩ হাজার ৩১০টি, এপর্যন্ত ২৪ লাখ ৫৪ হাজার ৭৩৭টি, ২৪ ঘণ্টায় বিতরণ হয়েছে ৩ হাজার ৯০২টি, এ পর্যন্ত ২০,৬৪,৯৩৪টি। বর্তমানে মজুদ আছে ৩ লাখ ৮৯ হাজার ৮০৩টি।
দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া গত ২৪ ঘন্টায় শনাক্ত হয়েছে ৯ হাজার ১১৯জন। এ পর্যন্ত ১ লাখ ৮২ হাজার ২৭৮জন। মৃত্যুবরণ করেছেন ২০৯ জন এবং এ পর্যন্ত ৫ হাজার ৫৫৬ জন।
সারাবিশ্বের ২১৩টি দেশে ২৪ ঘন্টায় শনাক্ত ১ লাখ ৯ হাজার ৫৩৬জন এবং এ পর্যন্ত ৫৪ লাখ ২৪ হাজার ১৮৮ জন। মৃত্যু বরণ করেছেন ৫ হাজার ৬৬৩ জন। এ পর্যন্ত ৩ লাখ ৪৪ হাজার ৩৪৬ জন। এবং সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ২২ লাখ ৫৭ হাজার ২৬৬ জন। সারাবিশ্বে মৃত্যুর ১৩ এবং সুস্থ্যতার হার ৮৭ শতাংশ।




