× Banner
সর্বশেষ
ধর্ম নয়, বাংলাদেশি পরিচয়ই সবার আগে: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কোটালীপাড়ায় পল্লী উন্নয়ন একাডেমি’র ১৮’শ শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবে দুর্নীতি বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না -বিরোধী দলীয় নেতা রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত দেশের প্রান্তিক পর্যায় থেকে উদীয়মান খেলোয়াড়দের বাছাই করে ক্রীড়া অঙ্গনের সমৃদ্ধি ঘটাতে চাই – প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল কোটালীপাড়ায় ১০ম উপজেলা স্কাউটস সমাবেশের উদ্বোধন আসামের বন্যার্তদের জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশনের ত্রাণ সহায়তা বৃষ্টি ও বন্যার প্রভাবে বাজারে অস্থিরতা, কাঁচামরিচ ৪০০ টাকা কেজি মতিঝিলে ৪৬৪ দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ বিক্রেতা গ্রেফতার অর্থ সংকটে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন – বেতনহীন কর্মীরা, থমকে আহতদের চিকিৎসা সহায়তাও

দূর্গাপূজায় সকল কমিটির নিকট কয়েকটি অনুরোধ এবং সুপারিশ -দেবদাস ভট্টাচার্য

Kishori
হালনাগাদ: বুধবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১
https://thenewse.com/wp-content/uploads/Devdas-Bhattacharya.jpg

করোনার আবহে গত বছরের মতোই জাঁকজমক বিহীন পুজো দেখবে বাঙালি? পুজো এগিয়ে আসছে ক্রমশই । আর মাত্র কিছুদিন বাকি পুজোর  এ বছরের পুজো কেমন হবে, তার ধারণা এখনও মানুষের মনে স্পষ্ট নয় । তবু পুজো জাঁকজমক করে হোক বা নাই হোক, মা তো সময় মেনেই আসবেন।

বাঙালী হিন্দুর সর্ববৃহৎ সর্বজনীন ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গাপূজায় দেশের সকল পূজা কমিটির প্রতি সময়োপযোগী এক আহবান জানিয়েছেন রংপুর রেঞ্জের সম্মানিত ডিআইজি দেবদাস ভট্টচার্য।

গত ৩ সেপ্টেম্বর ফেইসবুক ওয়ালে একটা পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানা যায়।  তিনি যা লিখেছেনঃ

এবার করোনার কারনে গত বছরের মতই স্বাস্থ্যবিধি মেনে পূজার আয়োজন করা হবে।
পূজা উদযাপনের জন্য ইতোমধ্যে জাতীয় এবং বিভিন্ন পর্যায়ে কমিটি গঠন শুরু হয়েছে।
আমি সকল কমিটির নিকট কয়েকটি অনুরোধ এবং সুপারিশ করছি।
১। আরতির নামে ডিজে, কুরুচিপূর্ণ গান সহ সব ধরনের উচ্ছৃঙ্খলতা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।
২। প্রতি সন্ধ্যায় মন্ডপে মন্ডপে ধর্মীয় আলোচনা এবং ধর্মীয় সঙ্গীত ও নৃত্যের আয়োজন করা যেতে পারে। এজন্য প্রতিদিন এক বা দুইজন উপযুক্ত ব্যাক্তিকে আলোচনার জন্য নির্বাচিত করা যেতে পারে।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ফাঁকে ফাঁকে আলোচনা হলে দর্শক সমাগম বজায় থাকবে এবং সকলে উপভোগ করবে।
৩। ধর্মীয় বিষয়ের উপর শিশু, কিশোর, তরুণদের মাঝে কুইজ প্রতিযোগিতা এবং পুরষ্কার প্রদানের আয়োজন করা যেতে পারে।
৪। সমবেত চন্ডীপাঠ বা সমবেত প্রার্থনার আয়োজন করা যেতে পারে।
৫। প্রতিদিন সুন্দর, সুশৃঙ্খলভাবে এবং সঠিক নিয়মে অঞ্জলির পরিকল্পনা এবং তা নিশ্চিত করতে হবে।
৬। আলোকসজ্জা বা অন্যান্য খরচ কমিয়ে বাজেটের একটি অংশ দিয়ে গরীব পরিবারকে সাহায্য করা উচিত।
৭। প্রতিমা নির্মান সহ পূজার সমস্ত প্রক্রিয়ায় ধর্মীয় বিধান মেনে সাত্ত্বিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
পূজার নামে উচ্ছৃঙ্খলতা, ধর্মীয় বোধের যে অবক্ষয় চোখে পড়ে, তাতে আমি হতাশ, ব্যাথিত এবং ক্ষুব্ধ।
ধর্মের আবরণে এসব নোংরামির ফলে যুব সমাজ বিভ্রান্ত হচ্ছে, পথভ্রষ্ট হচ্ছে।
ধর্মকে গ্লানিমুক্ত করে গৌরবময় করতে সবাইকে এক লক্ষ্যে কাজ করতে হবে।
“ সং গচ্ছধ্বং সং বদধ্বং সং বো মনাংসি জানতাম।
দেবা ভাগং যথা পূর্বে সঞ্জানানা উপাসতে ।।
সমানো মন্ত্রঃ সমিতি সমানী সমানং মনঃ সহ চিত্তমেষাম।
সমানং মন্ত্রম্ অভিমন্ত্রয়ে বঃ সমানেন বো হবিষা জুহোমি।।
সমানী বঃ আকুতি সমানা হৃদয়ানি বঃ
সমানমস্তু বো মনঃ যথা বঃ সুসাহতি।। ”
ভাল থাকুন।
শুভ কামনা

নিরন্তর!


এ ক্যটাগরির আরো খবর..