× Banner
সর্বশেষ
ধর্মমন্ত্রীর আশু আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের বিশেষ দোয়া দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি পাওয়া স্বচ্ছ নিয়োগের প্রমাণ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৫-২৬ জুলাই ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিআইইআর সামিট ২০২৬ বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন, পরিকল্পিত আধুনিক নগর গঠনের উদ্যোগ বাজেট বাস্তবায়নেই সাফল্য, কক্সবাজারকে আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরী গড়ার পরিকল্পনা: অর্থমন্ত্রী FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল

তারাগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কাছে অসহায় গ্রাহক

admin
হালনাগাদ: শনিবার, ৪ নভেম্বর, ২০১৭

॥ শেখ মামুন-উর-রশিদ, রংপুর ব্যুরো ॥ রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় সাব জোনাল অফিস রংপুর-২ পবিস এর আওতাধীন নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে ।

অনিয়ম আর দ্র্নুীতির আখড়ায় পরিনত হয়ে গেছে তারাগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। প্রতিনিয়তই হয়রানির স্বীকার হচ্ছেন গ্রাহকরা। পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কাছে অসহায় হয়ে পড়েছে সাধারন গ্রাহক।

অভিযোগ উঠেছে, দীর্ঘদিন ধরে অধিক বিলের ঝামেলায় গ্রাহককে দিতে হচ্ছে বাড়তি বিল। অফিসে গ্রামীন জনপদে বিদ্যুতায়নের নামে রাজনৈতিক দলের হাইব্রিড নেতা কর্মী ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দায়িত্ব প্রাপ্ত পরিচালকের যোগসাজশে চলছে এসব কাজ। এছাড়া নতুন সংযোগ দেওয়ার নাম করে গ্রামের মহল্লায় সাধারন গ্রাহকের কাছ থেকে অধিক পরিমান টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাধারন গ্রাহক অফিসের সকল মহলের দারে দারে ঘুরছে বিলের কপি হাতে নিয়ে একাধিকবার অফিসে অভিযোগ করলেও পাচ্ছেনা সঠিক গ্রাহক সেবা বরং ভোগান্তির শিকার হচ্ছে সাধারন মানুষ। গত জুন মাস থেকে শুরু হয়েছে তারাগঞ্জ উপজেলায় শত ভাগ বিদ্যুতায়নের কাজ। মাইকিং করে সাধারন গ্রাহক সেবার সুবিধার কথা থাকলেও তা এখনো প্রচার করা হয়নি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, লোড শেডিং বেশী আর মিটার রিডিং ছাড়াই বিল তৈরী সহ নানা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারন গ্রাহক। মাঠে খেটে খাওয়া দিনমজুর এসব জেনেও না জানা ভান করে পেরিয়ে যাচ্ছে অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীরা।

নাম প্রকাশে অনিশ্চুক কয়েকজন বলেন,বাড়তি টাকা ছাড়া কোন কাজ হয়না অফিসে।কর্মকর্তা কর্মচারীদের যোগসা-যোসে দালালের মাধ্যমে বাড়তি টাকার বিনিময়ে বিদ্যুতের কাজ হচ্ছে বিভিন্ন কৌশলে। বিদ্যুৎ নির্মান কাজের ব্যায় হচ্ছে সরকারী অর্থে সেখানে নির্মান কাজের অর্থ নেওয়া হচ্ছে সাধারন জনগনের কাছ থেকে। আর এসব কর্মকান্ডের সাথে যোগ রয়েছেন গ্রামের দালাল চক্র ইলেক্ট্রিশিয়ান ও বিদ্যুৎ অফিসের বিভিন্ন কর্মকর্তাগণ। কেউ এক বছর ছয় মাস ধরে ঘুরছেন বিদ্য্তুায়নের জন্য। আবার কেউ ২৪ ঘন্টায় বিদ্যুৎ পাচ্ছেন।এভাবেই চলছে অফিসের কর্মকান্ড। অফিসের এই দালাল চক্র ছাড়া কোন কাজেই হয়না। সংযোগ নিতে মাষ্টার প্লানের কাজে ব্যায় হচ্ছে হাইব্রিড নেতাদের কারনে পাঁচ হাজার টাকারো বেশী। সরেজমিনে জানা যায়,তারাগঞ্জ উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের পশ্চিম রহিমাপুর খানসাহেব পাড়া,পঞ্চায়েত পাড়া,ফকির পাড়া,কাংলাচড়া,শ্যামগঞ্জ বালিয়াপাড়া আলমপুর ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া, পাইকপাড়া, সরকারপাড়া, ধনীপাড়া ইকরচালী ইউনিয়নের কমরপাড়া, তেলিপাড়া, দিঘিরপার, হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নের মাদরাসাপাড়া, মসজিদপাড়া, ঠাকুরপাড়া, কুঠিয়ালপাড়া কুশা ইউনিয়নের শেরপুর জবুরপাড়া,পশ্চিম অনন্তপুর,উপজেলায় প্রায় পাচ হাজারের্ও বেশী গ্রাহককে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার নাম করে তাদের কাছ থেকে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় এই চক্র ও স্থানীয় হাইব্রিড নেতারা। অবৈধ এসব টাকার ভাগ যাচ্ছে পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পকেটে।প্রতিটি সংযোগের জন্য পাঁচ-ছয় হাজার টাকা ধার্য করে কয়েক ধাপে টাকা নেওয়া হলেও এখনো গ্রাহক বিদ্যুৎ পায়নি হচ্ছে চরম ভোগান্তির শিকার।

তারাগঞ্জ সাব জোনাল পল্লী বিদ্যুৎ পাগলাপীর রংপুর-২ কার্যালয়ের এ.জি.এম. কাজী হাফিজুল ইসলাম বলেন, বিদ্যুৎ সংযোগের নামে কিছু অসাধু লোক এসব কাজের জড়িত আছে আর কতিপয় রাজনৈতিক হাইব্রিড নেতারা সহজ সরল গ্রামবাসিকে ভুল বুঝিয়ে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছে।আসলে বিদ্যুত সংযোগের কথা বলে কেউ ৭৫০ টাকার অতিরিক্ত চাইলে আমাকে জানাবেন।এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত করে সঠিক ব্যবস্থা ও আইনের আওতায় আনা হবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..