× Banner
সর্বশেষ
দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উপদ্রুত এলাকায়  আশ্রয় ও ত্রাণ কার্যক্রম বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনই আমাদের অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয়: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত কার্যক্রম শিক্ষা ও কারিগরি খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ-চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে রোহিঙ্গা ও করিডোর নিয়ে আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সাক্ষাৎ মধুখালীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট সভাপতি ও ইউনিট লিডারদের সাথে মতবিনিময় সভা যখনই বাংলাদেশের জনগণ বিপদে পড়েছে, চীন পাশে দাঁড়িয়েছে – ইয়াও ওয়েন দিল্লি বিক্ষোভের পর মোদি সরকারের কাছে রাহুল গান্ধীর ৫ দফা দাবি

নববর্ষে খাদ্য সহায়তা করতে গিয়ে অন্য ঢাকার রুপ দেখলো দি নিউজ

Kishori
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২০
দি নিউজ

রাই-কিশোরীঃ  সারা বিশ্ব মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে অচল। তার মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থা আরো করুন। সেই কারণে নিজেদের সাধ্যমত নিম্ন বিত্তদের খাদ্য সহায়তা করতে গিয়ে অন্য ঢাকার রুপ দেখলো দি নিউজ।

আজ ১৪ এপ্রিল ২০২০, পয়লা বৈশাখ বা নববর্ষ। চার পাশে প্রান্তিক পর্যায়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অসহায় মানুষদের মধ্যে কিছু নিম্ন বিত্তদের খাদ্য সহায়তা করার জন্য বেরিয়েছিল দি নিউজ এর সম্পাদক প্রকাশক প্রমিথিয়াস চৌধুরী, বার্তা সম্পাদক রাই কিশোরী চৌধুরী এবং দি নিউজের মালয়েশিয়া ফটো জার্নালিস্ট শওকত হোসেন জনি।

একটা এরিয়ায় যাওয়ার জন্য চাল, ডাল, আলু, সাবান দিয়ে নির্দিষ্ট সংখ্যক প্যাকেট করে একটা ভ্যানে করে রওনা করা হয়। গুলিস্তান পর্যন্ত যাওয়ার পর থেকে রিক্সাওয়ালা থেকে শুরু করে ফুটপাতের লোকরা এসে টেনে ধরতে থাকে। তাদের পেছন পেছন আসতে থাকে আরো রিকশাওয়ালারা। আসলে যাদের জন্য ওগুলো নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল  তাদের প্রত্যেকটা পরিবারই দিনমজুর, খেটে খাওয়া মানুষ। সব কারখানা, দোকান বন্ধ হওয়ায় তারা সকলেই ঘরে বসে রয়েছে। তারা না পারছে কারো কাছে চাইতে না পারছে খিদের জ্বালা মেটাতে।

দি নিউজ

প্রয়োজনের তুলনায় আয়োজন ছিল খুবই সামান্য। এদিকে রাস্তায় ওদের এই আকুতি, কান্না, হাতে পায়ে ধরা দেখে প্রত্যেকের কষ্ট হলেও সবার চাহিদা মেটানো সম্ভব হয়নি। কারণ অন্যদিকে আমাদের পথ চেয়ে অনেকগুল পরিবার বসে আছে। তাদের ২ দিনের খাবারের ব্যবস্থা হলেও তো বউ বাচ্চার জন্য একটু ব্যবস্থা হয়।

কয়েকটা বাচ্চা কেঁদে কেঁদে দৌড়াতে থাকে আর বলতে থাকে আঙ্কেল একটা প্যাকেট দিন না। আপনাদের সব কাজ করে দিচ্ছি, সেই সাথে আরো কয়েকটা বাচ্চা জুটে যায়। মাঝ বয়সী কয়েকজন ভ্যানের চারেপাশে এমন ভাবে চলতে থাকে যে সেটা সামনে আগানোর পরিস্থিতি হারিয়ে ফেলে। ওদের বকা বা ধমক কোনোটাই গায়ে লাগছিল না। ওদের মধ্যে একটাই জিনিস কাজ করছিল যেকোনো মুল্যে আমাকে একটা প্যাকেট নিতেই হবে

এভাবে কিছু প্যাকেট এদের দেয়া হয় ও কিছু প্যাকেট ঐ পরিবারগুলোর জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। বাংলাদেশ সরকার যা ত্রান দিচ্ছে তার ৪ ভাগের ১ ভাগ ও না খেটে পাওয়া মানুষদের হাতে যাচ্ছে কিনা সে বিষয়ে ব্যাপক সন্দেহ। তাই সকল দেশের অর্থ ও বিত্তবানদের অনুরোধ করবো আপনারা হোটেল, জুয়া, ক্লাব, বার এসবের খরচ একটু কমিয়ে যদি এসব মানুষদের মুখে একটু অন্ন তুলে দেন। তাহলে আপনার একদিনের বিনোদনের টাকায় এদের ১টা সপ্তাহ চলে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..